আন্তর্জাতিক

Ukraine: রুশ ফৌজকে রুখতে ১০০টি যুদ্ধবিমান কিনছে জেলেনস্কি বাহিনী

চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে ফ্রান্স ইউক্রেনকে মোট ১০০টি রাফালে যুদ্ধবিমান সরবরাহ করবে।

Truth of Bengal: দুর্দমনীয় রুশ সামরিক বাহিনীর মোকাবিলা করতে ফ্রান্সের তৈরি অত্যাধুনিক রাফালে (Rafale) যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করল ইউক্রেন। সম্প্রতি প্যারিসের কাছে একটি বিমান ঘাঁটিতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে ফ্রান্স ইউক্রেনকে মোট ১০০টি রাফালে যুদ্ধবিমান সরবরাহ করবে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রান্সের সঙ্গে এই অস্ত্র চুক্তির ফলে ইউক্রেনের বিমান বাহিনীতে নতুন শক্তির সঞ্চার হবে।

সামরিক শক্তিতে রাশিয়া ইউক্রেনের চেয়ে বহুগুণে এগিয়ে। মারণ ক্ষেপণাস্ত্র, ভয়ংকর বোমা, যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন—সব দিক থেকেই রাশিয়ার সামরিক ভান্ডার অফুরন্ত। তা সত্ত্বেও কিছুদিন আগে কৌশলগত হামলায় জেলেনস্কির সেনারা রাশিয়াকে পর্যুদস্তু করতে সক্ষম হয়। ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল রাশিয়ার। এর সঙ্গে রাফালের অন্তর্ভুক্তি ইউক্রেনীয় বাহিনীর শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দেবে। ফ্রান্স ও ইউক্রেনের এই অস্ত্র চুক্তির মাধ্যমে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট হলো যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ থামানোর জন্য যতই চেষ্টা করুন না কেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এখনই শেষ হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, ভারতে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় এই ফ্রান্সের তৈরি রাফালে যুদ্ধবিমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল পাকিস্তান। সেই সময় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ভিত্তিহীন দাবি করেন যে পাকিস্তান ভারতের ৬টি রাফালে যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। যদিও তাঁর এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি। পাকিস্তানের সেনা রাফালের কার্যকারিতা এবং ভারতীয় বিমানচালকদের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল। মার্কিন অস্ত্র ব্যবসায়ীরা এর সুযোগ নিয়ে অস্ত্রের বাজারে সুবিধা পেতে চেয়েছিল। তবে, ভারতের হামলায় ধ্বংস হয়েছিল আমেরিকা (এফ-১৬) এবং চীন (জেএফ-১৭)-এর তৈরি পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানগুলো। সেই একই রাফালে এখন ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর প্রধান ভরসা হতে চলেছে।

Related Articles