বিদেশি কর্মী নিয়োগে ১ লক্ষ ডলার কর! ট্রাম্পের নতুন নিয়মে বিপাকে ভারতীয়রা
বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক সরাসরি বলেছেন,‘বিদেশিদের সস্তায় এনে কাজ করানোর দিন শেষ।
Truth Of Bengal: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার নতুন নির্দেশনামায় স্বাক্ষর করলেন এইচ-১বি ভিসা নিয়ে। নিয়ম অনুযায়ী, এ বার থেকে মার্কিন সংস্থাগুলিকে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগ করতে হলে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হবে। বছরে প্রায় ১ লক্ষ ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৮ লক্ষ টাকা করে দিতে হবে সংস্থাগুলিকে। যদিও কোনও দেশের নাম স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। হোয়াইট হাউসের দাবি, এই পদক্ষেপে একদিকে যেমন মার্কিন চাকরির বাজার সুরক্ষিত হবে, অন্যদিকে কেবলমাত্র সবচেয়ে দক্ষ বিদেশি কর্মীরাই তাদের দেশে প্রবেশ করতে পারবে। বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক সরাসরি বলেছেন,‘বিদেশিদের সস্তায় এনে কাজ করানোর দিন শেষ। এখন কোম্পানিগুলিকে কর্মীকে বেতন দেওয়ার আগে সরকারকে ১ লক্ষ ডলার দিতে হবে।’(H1B Visa)
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ম্যাচের জন্য প্রস্তুত, স্পষ্ট বার্তা সূর্যের
বিশেষজ্ঞদের মতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বেন ভারতীয় কর্মীরা। কারণ সম্প্রতি এক সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে আমেরিকায় এইচ-১বি ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী ভারতীয়রা। গত বছর মোট আবেদন মঞ্জুর হওয়া ভিসার ৭১ শতাংশই ভারতীয়দের। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিন, যেখানে অনুমোদিত হয়েছে ১১.৭ শতাংশ আবেদন। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে অ্যামাজ়ন এবং তার সহযোগী সংস্থাগুলির প্রায় ১২ হাজার আবেদন অনুমোদিত হয়েছে। মাইক্রোসফ্ট ও মেটার মতো সংস্থা মঞ্জুর করেছে পাঁচ হাজার করে আবেদন। সাধারণত এইচ-১বি ভিসাধারীরা পরবর্তীতে আমেরিকার গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় প্রতি বছর ভিসা নবীকরণ করতে হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন সিদ্ধান্তে মার্কিন সংস্থাগুলিকে যে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে, তা শেষ পর্যন্ত কর্মীদের উপরই চাপানো হবে বলে মনে করছেন অনেকেই। ফলে আমেরিকায় গিয়ে কাজ করা এবং পরবর্তীতে নাগরিকত্ব পাওয়া ভারতীয়দের জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।(H1B Visa)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
প্রসঙ্গত, এইচ-১বি একটি অ-অভিবাসী ভিসা, যা ১৯৯০ সালে চালু হয়। মূলত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে উচ্চ দক্ষ কর্মীদের এই ভিসা দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে মেয়াদ থাকে তিন বছর, যা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ছ’বছর পর্যন্ত করা যায়। এ সময় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকে। গ্রিন কার্ড পাওয়া গেলে ভিসার মেয়াদ ইচ্ছামতো বাড়ানো সম্ভব।(H1B Visa)


