Chattishgarh: অস্ত্র ছেড়ে শান্তির বার্তা! ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ করলেন ১৬ মাওবাদী
তিনি আরও বলেন, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা সশস্ত্র বাহিনীকে খাবার, ওষুধ এবং অস্ত্র সরবরাহ করতেন।
Truth Of Bengal: ছত্তিশগড়ের (Chattishgarh) বস্তার ডিভিশনে আত্মসমর্পণ করলেন ১৬জন মাওবাদী। নারায়ণপুর জেলায় পুলিশ কর্তাদের কাছে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন। যদিও এই ১৬ জনের মধ্যে কেউই সংগঠনের উচ্চপদস্থ নেতা নন, তাঁরা বিভিন্ন নিম্নস্তরের ইউনিট—জনতা সরকার, চেতনা নাট্য মণ্ডলী কিংবা পঞ্চায়েত স্তরের বাহিনীতে যুক্ত ছিলেন। তবুও মাওবাদী কার্যকলাপে তাঁদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুনঃ নেপালের সম্ভাব্য হবু প্রধানের কণ্ঠে ভারত ও মোদির প্রশংসা! কী বললেন তিনি?
নারায়ণপুর জেলার পুলিশ সুপার রবিনসন গুড়িয়া জানান, মাওবাদীদের আদর্শ, নিরীহ আদিবাসীদের ওপর নির্যাতন এবং সংগঠনের মধ্যে বাড়তে থাকা অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে তাঁরা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। সেই হতাশাই তাঁদের আত্মসমর্পণে প্ররোচিত করেছে। তিনি আরও বলেন, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা সশস্ত্র বাহিনীকে খাবার, ওষুধ এবং অস্ত্র সরবরাহ করতেন। পাশাপাশি বিস্ফোরক পাচার, আইইডি বসানোর কাজ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর গতিবিধির খবর পৌঁছে দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন তাঁরা।(Chattishgarh)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে। এর ফলে বস্তারসহ মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে আত্মসমর্পণের প্রবণতা বাড়ছে। ছত্তিশগড় সরকার বহুদিন ধরেই এই আত্মসমর্পণকে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি চালাচ্ছে। গত বছর শুরু হওয়া ‘নিয়া নার নিয়া পুলিশ’ (আমাদের গ্রাম, আমাদের পুলিশ) এবং ২০২০ সালের ‘লোন ভারাতু’ (তোমার বাড়ি ফিরে যাও) কর্মসূচির মাধ্যমে মাওবাদীদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।এই ধারাবাহিকতায় গত মার্চে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাই ‘নকশাল আত্মসমর্পণ এবং আক্রান্তদের পুনর্বাসন নীতি ২০২৫’ ঘোষণা করেন। এই নীতিতে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের চাকরি, আর্থিক সহায়তা, আইনি সুরক্ষা সহ নানা সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।(Chattishgarh)
এমনকি সংগঠনের রাজ্য, আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের জন্য বিশেষ অনুদানের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বুধবার আত্মসমর্পণ করা প্রত্যেক মাওবাদীকে ৫০ হাজার টাকা করে প্রাথমিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পরে সরকারি নীতি অনুসারে তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে পুলিশ সুপার রবিনসন গুড়িয়া জানান। প্রশাসনের এই উদ্যোগে মাওবাদী হিংসার পথ ছেড়ে মূল সমাজে ফেরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।(Chattishgarh)






