‘মহিলা বিল আনতে গিয়ে ধাক্কা খেয়েছে’, নির্বাচনী প্রচার থেকে বিজেপিকে তোপ শুভঙ্কর সরকারের
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার একতরফাভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে।
Truth Of Bengal: তরুণ মুখোপাধ্যায়, হুগলি: লোকসভায় বিজেপি একতরফাভাবে মহিলা সংরক্ষণ বিল আনতে গিয়ে বিরোধীদের প্রবল বাধার মুখে পড়েছে। এই ঘটনাই প্রমাণ করে, দেশবাসী আর এই সরকার চায় না—এমনই দাবি করলেন শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী শুভঙ্কর সরকার। শনিবার শ্রীরামপুরের বটতলায় প্রচার চলাকালীন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘লোকসভায় বিজেপি একতরফাভাবে মহিলা বিল আনতে গিয়েছিল। সেখানে সরকার পক্ষ বিরোধীদের থেকে জোর ধাক্কা খেয়েছে। এতে বোঝা যায়, ভারতবর্ষের মানুষ দেশে এই সরকার চায় না।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার একতরফাভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তার বিরুদ্ধেই সমস্ত বিরোধী দল একজোট হয়েছে। শুভঙ্কর সরকারের কথায়, বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নীতি আলাদা হলেও বিজেপির জনবিরোধী ও স্বৈরাচারী নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। লোকসভায় বিজেপি সেই বার্তা ইতিমধ্যেই পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিন প্রচারের মাঝে শুভঙ্কর সরকারকে প্রশ্ন করা হয়, এসআইআর-এর মাধ্যমে দেশে ভোটার তালিকা থেকে গণহারে নাম কাটা এবং ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে রাখার অভিযোগ নিয়ে। তিনি জানান, কংগ্রেস প্রথম থেকেই এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে এসেছে। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন শুভঙ্কর সরকার।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে রাখতে পারবে না। যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে কাটা হয়েছে, তাদের জন্য ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ট্রাইবুনালে আবেদন করে ভোটের দু’দিন আগে পর্যন্ত যাদের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে, তারাও ভোট দিতে পারবেন।
শনিবার সকাল থেকেই বটতলা এলাকা থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন শুভঙ্কর সরকার। কংগ্রেস পতাকা হাতে দলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর সঙ্গে যোগ দেন। পথচলতি মানুষ, দোকানদার ও ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের কাছে করজোড়ে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যে শিল্প, সংস্কৃতি এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে কংগ্রেসকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে হবে। কংগ্রেস প্রার্থীর দাবি, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে এবার সাধারণ মানুষই শেষ কথা বলবেন।




