সুকমা ও বিজাপুরে বড় সাফল্য পুলিশের! নিহত ১৪ জন মাওবাদী
Truth Of Bengal: শনিবার সকালে ছত্তিশগড়ে দুইটি পৃথক অভিযানে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন মোট ১৪ জন মাওবাদী। সুকমা এবং বিজাপুর জেলায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। সুকমায় নিহত হয়েছেন ১২ জন, আর বিজাপুরে ২ জন।
প্রথম অভিযানটি সুকমায় অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে কিস্তরামে একটি তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছিল। নিরাপত্তাবাহিনী যখন গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করেন, তখন তাদের উপর হঠাৎ হামলা চালায় মাওবাদীরা। তাতে সংঘর্ষ বাঁধে, এবং গোলাগুলির লড়াইয়ে ১২ জন মাওবাদী নিহত হন। নিহতদের মধ্যে আছে কোন্তা এরিয়া কমিটির নেতা শচীন মাংডুও। এছাড়া, চলতি বছরের মধ্যে কোন্তায় যে মাওবাদী নেতার নির্দেশে এসিপি আকাশ গীরপুঞ্জকে হত্যা করা হয়েছিল, তিনিও এই এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। সুকমার এসপি কিরণ চবণ জানান, নিরাপত্তাবাহিনী ফিরলে নিহত মাওবাদীদের চিহ্নিতকরণ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে। ঘটনাস্থল থেকে একে-৪৭ এবং ইনসাস রাইফেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
বিজাপুরের ঘটনায় নিহত দু’জন মাওবাদীর কাছ থেকেও এসএলআর এবং ১২-বোর রাইফেল পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যে ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদীদের নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই ঘোষণার পর থেকেই নিরাপত্তাবাহিনী মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করেছে। চলতি বছরেই ছত্তিশগড়ে বহু মাও নেতা ও কর্মী নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন।
নিহতদের তালিকায় রয়েছেন মাওবাদী সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও বা বাসবরাজু বা গগন্না, পলিটব্যুরোর সদস্য রামচন্দ্র রেড্ডি বা চলপতি, তাঁর স্ত্রী রবি ভেঙ্কট লক্ষ্মী চৈতন্য বা অরুণা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নরসিংহচলম বা সুধাকর, এবং পিএলজিএ-র শীর্ষ কমান্ডার মাধভী হিডমার সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতা।
একই সময়ে, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসের উপস্থিতিতে গড়ছিরৌলিতে আত্মসমর্পণ করেছেন নিহত মাওবাদী নেতা মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও বা কিষেণজি ওরফে মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও বা ভূপতি বা সোনু। তিনি মাওবাদী সংগঠনে ‘তাত্ত্বিক মস্তিষ্ক’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।






