ফেব্রুয়ারিতেই শীতের পাকাপাকি বিদায়? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?
দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকেই তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে শুরু করতে পারে।
জানুয়ারি মাস প্রায় শেষের দিকে। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শীতের মেয়াদও ফুরিয়ে আসছে। সকাল ও রাতে এখনও শীতের আমেজ থাকলেও আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে ইঙ্গিত মিলছে, ধীরে ধীরে কমতে চলেছে শীতের প্রভাব। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকেই তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে শুরু করতে পারে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, সোমবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে কনকনে ঠান্ডার দাপট কিছুটা কমবে। তবে শীত পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছে না, শুধুমাত্র তার তীব্রতা কমবে।
তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শীতের অনুভূতি এখনও বজায় থাকবে। আবহাওয়া দপ্তরের মতে, চলতি সপ্তাহে সকাল ও রাতে ঠান্ডা হাওয়া অনুভূত হবে। এই সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে কলকাতায় শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহ জুড়ে শহরে শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে। আকাশ পরিষ্কার ও শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা বেশি। সকাল এবং সন্ধ্যার পর থেকে ঠান্ডা অনুভূত হবে। কলকাতাতেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য ওঠানামা হওয়ার সম্ভাবনা কম।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে। চলতি সপ্তাহে কয়েক ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে পাহাড়ি এলাকা এবং ডুয়ার্সে শীতের প্রভাব এখনও বজায় থাকবে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, জানুয়ারি মাসের বাকি দিনগুলোতে সকাল ও রাতে ঠান্ডা অনুভূত হলেও ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই ধীরে ধীরে রাজ্য থেকে শীত বিদায় নিতে শুরু করতে পারে। বসন্তের আগমনের আগে এই সময়টুকুই শীত উপভোগের শেষ পর্ব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।






