মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দর্শনীয় স্থান ধান্যকুড়িয়াকে আরও আকর্ষণীয় করার চিন্তাভাবনা হেরিটেজ কমিশনের
Dhanyakuria

The Truth of Bengal: বহু প্রাচীন নিদর্শন সংস্কৃতি ইতিহাসে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাট ২ নম্বর ব্লকের ধান্যকুড়িয়া। ইতিমধ্যে ধান্যকুড়িয়ার গাইন গার্ডেনকে হেরিটেজ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এরপর আরও দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা রাজ্য ছাড়িয়ে ভিন্ন রাজ্যে এমনকি বিদেশি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে ছোট-বড় ছবির শুটিংয়ের জায়গা হিসেবে ধান্যকুড়িয়া বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। তার মধ্যে গোলাম বিবি সাহেব, লা লুই বেঙ্গলি মত সিনেমা অন্যদিকে শঙ্খচিল, ঋতুপর্ণ ঘোষের সত্যান্বেষী এই ধান্যকুড়িয়াতে শুটিং হয়েছিল।
একদিকে এখানে প্রাচীন রাজবাড়ী রয়েছে অন্যদিকে সিপাহী বিদ্রোহের আমলে তৈরি হওয়া ধান্যকুড়িয়ার হাই স্কুল, ইতালির স্থাপত্য ভাস্কর্য বহু নিদর্শন রয়েছে। গাইন, বল্লভ, সাহু জমিদার বাড়ি আজও ধান্যকুড়িয়ার গ্রামে পরকে পরকে দেখা মেলে। বরাবরই ছোট বড় পর্দার কলা কুশলী থেকে বিদেশি পর্যটকদের কাছে ধান্যকুড়িয়া প্রাচীন সংস্কৃতি বহন করা গ্রাম। যেখানে বহু ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে এই হেরিটেজ গ্রাম। রাজ্যর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য হেরিটেজ কমিশনার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বসিরহাট মহকুমা শাসক আশীষ কুমার ,বসিরহাট উত্তর বিধানসভার চেয়ারম্যান এটিএম আব্দুল্লাহ রনি, বসিরহাট ২ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৌমেন মন্ডল ও গাইন পরিবারের সদস্য মনোজিৎ গাইন মামুদ হাসান সহ বিশিষ্টজনেরা অন্যত্র নিদর্শনগুলি ঘুরে দেখেন।
যাতে এই জায়গাটি আরও আকর্ষণীয় করা যায়, তারজন্য সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন। এরজন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করার চিন্তাভাবনা করেছে রাজ্য সরকার, এমনই জানালেন রাজ্য হেরিটেজ কমিশনার। আন্তর্জাতিক পরিচালক গৌতম ঘোষ তিনি বলেছিলেন, ধান্যকুড়িয়াকে আরও বেশি পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু এনে কলাকুশলী ও পর্যটকদের কাছে এর প্রাচীন ইতিহাস স্থাপত্য ভাস্কর্য সংস্কৃতি আরো বেশি করে তুলে ধরলে বিশ্বের মানচিত্রে ধান্যকুড়িয়া একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ জায়গা এখন নিতে পারবে।
Free Access






