রাজ্যের খবর

Nisith Pramanik: বাঙালি হেনস্থার অভিযোগে আদালত চত্বরে নিশীথের গাড়িতে ছোড়া হল পচা ডিম

তৃণমূল কর্মীরা হাতে কালো পতাকা নিয়ে স্লোগান তোলে, এমনকি নিশীথের কনভয়ের দিকে ছোড়া হয় পচা ডিম ও পাথরও।

Truth of Bengal: শুক্রবার দিনহাটার মহকুমা আদালত চত্বর যেন আচমকাই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পুরনো একটি মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। কিন্তু আদালত প্রাঙ্গণে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে শুরু হয় প্রবল বিক্ষোভ। তৃণমূল কর্মীরা হাতে কালো পতাকা নিয়ে স্লোগান তোলে, এমনকি নিশীথের কনভয়ের দিকে ছোড়া হয় পচা ডিম ও পাথরও। মুহূর্তে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

ঘটনায় নিশীথ প্রামাণিকের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয় বলে অভিযোগ। তবে পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আদালত চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা, কিন্তু উত্তেজনার মাত্রা ছিল চূড়ান্ত।

[আরও পড়ুনঃ Matchbox Art: দেশলাই বাক্সে ভারতের ৭৮ জন বিপ্লবীর প্রতিকৃতি! মেদিনীপুরের শিক্ষকের অভিনব শিল্পকলা]

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে গীতালদহে তৃণমূল কর্মী আবু মিয়া খুনের মামলায় নিশীথ প্রামাণিক ২৪ নম্বর অভিযুক্ত হিসেবে চার্জশিটভুক্ত। সেই মামলায় হাজিরা দিতেই শুক্রবার আদালতে যান নিশীথ।

ঘটনার পরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর অভিযোগ, “তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। গণতন্ত্রে প্রতিবাদ থাকতেই পারে, কিন্তু আদালত চত্বরে এমন আচরণ শালীনতার সব সীমা লঙ্ঘন করে। আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা উচিত ছিল।”(Nisith Pramanik)

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে পালটা দাবি করা হয়, বিজেপি বাংলার মানুষকে অপমান করছে, বাঙালিদের ‘রোহিঙ্গা’ বলছে, আর ভিনরাজ্যে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বহু বাঙালি। সেই ক্ষোভ থেকেই মানুষের প্রতিবাদ বলে দাবি করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা উদয়ন গুহ।

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]

উদয়ন গুহ বলেন, “এই ঘটনা স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। যারা বাঙালির অসম্মান করে, তাদের বিরুদ্ধে মানুষ রুখে দাঁড়াবে। বিজেপি নেতারা যেখানে যাবেন, প্রতিবাদ হবেই।”

তবে নিশীথ (Nisith Pramanik) আশাবাদী, আইনের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাঁর কথায়, “এই মামলায় এখনও পর্যন্ত কারও সাজা হয়নি। আমি নিশ্চিত, একদিন মুক্তি পাবই।”

দিনহাটার এই ঘটনা ঘিরে রাজ্যের রাজনীতিতে ফের চড়ছে উত্তেজনার পারদ। আদালত চত্বরের মতো জায়গায় রাজনৈতিক বিক্ষোভ এবং হেনস্থা কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

Related Articles