মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র প্রথম অ্যাকশন! মাঝরাতে পাকড়াও আইএসএফ সদস্য
বিচারকদের রাতভর আটকে রাখার ঘটনায় এবার কলকাতার আদালতে শুনানি।
Truth of Bengal: মোথাবাড়ির বিডিও অফিসে এসআইআর (SIR) বিচারকদের রাতভর আটকে রাখার ঘটনায় নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথম গ্রেফতারি চালাল এনআইএ (NIA)। ধৃতের নাম গোলাম রব্বানি, যিনি পেশায় গ্রাম পঞ্চায়েতের আইএসএফ (ISF) সদস্য। এর আগে রাজ্য পুলিশের হাতে ধরা পড়া মিম (MIM) সদস্য মোফাক্কেরুল ইসলামকে জেরা করেই রব্বানির হদিশ মেলে বলে জানা গিয়েছে। ধৃতকে কলকাতায় নিয়ে এসে এনআইএ আদালতে পেশ করা হবে।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, ১ তারিখের সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদের প্রতিবাদে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনাটি কেবল ‘জনতার স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভ’ ছিল না, বরং এর পিছনে উগ্রপন্থী ইন্ধন ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, মিম সদস্য মোফাক্কেরুল ইসলাম সুজাপুরের এক সভায় উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখে জনতাকে খেপিয়ে তুলেছিলেন। তাঁকে জেরা করেই উঠে আসে আইএসএফ সদস্য গোলাম রব্বানির নাম। এনআইএ-র প্রাথমিক অনুমান, অশান্তি ছড়াতে রব্বানি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।
এদিকে, মোথাবাড়ির ঘটনায় সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন স্থানীয় কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরী ওরফে বাবুও। রবিবার সকালে আলিনগর পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট প্রচার করার সময় তাঁকে এবং তাঁর কয়েকজন কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। ভোটের মুখে হেভিওয়েট প্রার্থীর এই আটকের ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
গোয়েন্দাদের বিশ্বাস, গোলাম রব্বানিকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে এই ঘটনার জাল কতদূর বিস্তৃত, তা স্পষ্ট হবে। মিম, আইএসএফ এবং কংগ্রেস- এই রাজনৈতিক সমীকরণের আড়ালে কোনো বড়সড় নাশকতার ছক ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছে এনআইএ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক কঠোর ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।






