চলছে ‘মিনি গঙ্গাসাগর’ মেলা, নাগ দেবতার পুজোয় ভক্তের ঢল…
'Mini Gangasagar' fair is going on, devotees flock to worship the serpent deity

The Truth Of Bengal: আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এখন চলছে প্রস্তুতি। মেলার সময় গঙ্গাসাগর হয়ে উঠবে মিনি ভারতবর্ষ। তার আগে হয়ে গেল ‘মিনি গঙ্গাসাগর মেলা’। মেলায় উপচে পড়ে পুণ্যার্থীর ভিড়। এই মেলা নাগ মেলা হিসাবে পরিচিত এলাকায়। এলাকার মানুষ এই মেলাকে সর্প দেবী মা মনসাকে সমর্পিত করে। মেলাকে কেন্দ্র করে বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা করা হয়।
চলছে প্রস্তুতি। আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। মেলাকে কেন্দ্র করে গঙ্গাসাগর হয়ে উঠবে মিনি ভারতবর্ষ। মেলা সেজে ওঠার আগে হয়ে গেল ‘মিনি গঙ্গাসাগর মেলা’। এই মেলায়ও উপচে পড়ল পুণ্যার্থীর ভিড়। এলাকায় এই মেলা নাগ মেলা হিসাবে পরিচিত। এলাকার মানুষ এই মেলাকে সর্প দেবী মা মনসাকে সমর্পিত করে। মেলাকে কেন্দ্র করে বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা করা হয়। মেলা শুরু হয় ডিসেম্বরের ১৯ তারিখে। টানা ৬ দিন চলে এই মেলা। নাগ মেলার ইতিহাস বহু পুরনো। ১৩৮৭ বঙ্গাব্দে এই মেলার সূচনা হয়। মেলা শুরু হওয়ার পেছনে ছিল বিশেষ কারণ।
একটা সময় সুন্দরবনে অনেক মানুষ মারা যেত সাপের কামড়ে। তাই নাগ দেবতাকে সন্তুষ্ট করার জন্য মনসাদ্বীপের রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী সিদ্ধিদানন্দ, স্থানীয় চিকিৎসক শুভেন্দু রায় ও স্থানীয় যুবক অবন্তী কুমার মান্না সহ একাধিক বিশিষ্ট মানুষ এই পুজোর প্রচলন শুরু করে। পরবর্তীকালে এই পুজোকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষ মেলার আয়োজন করে। ওড়িশার কটক থেকে পুজোর ‘ধ্যান’ বা নিয়মনীতি নিয়ে এসে নাগ দেবতার পুজো শুরু হয়। স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, পুজো শুরু হওয়ার পর থেকে গঙ্গাসাগর এলাকায় সাপের উপদ্রব কমেছে। প্রতি বছর মেলা দেখতে লক্ষাধিক মানুষ ভিড় করে। এই মন্দিরে নিত্যপুজোরও ব্যবস্থা আছে।
গঙ্গাসাগর মেলার আগে নদিয়া, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি থেকেও প্রচুর দর্শনার্থী মেলায় আসেন। মেলার ভিজিট বুকে জ্বলজ্বল করছে বিদেশিদের নামও। প্রতিবছর মেলায় প্রচুর জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে মেলা প্রাঙ্গণকে একটি সুসংহত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আবেদন জানিয়েছেন মেলা উদ্যোক্তারা।
Free Access






