‘গণতন্ত্র শক্তিশালী করছেন শুভেন্দু!’ নিউটাউনের মঞ্চ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওম বিড়লা
মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ এবং পরিষদীয় কাজকর্মে স্বচ্ছতা আনার পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন লোকসভার স্পিকার
Truth of Bengal: নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টারে দু’দিনের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ এবং পরিষদীয় কাজকর্মে স্বচ্ছতা আনার পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন লোকসভার স্পিকার।পালাবদলের পর রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনের লাইভ সম্প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে ওম বিড়লা বলেন, গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি। বিধানসভার কাজকর্ম সাধারণ মানুষের সামনে পৌঁছে গেলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা আরও বাড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পরিষদীয় দক্ষতারও প্রশংসা করেন লোকসভার স্পিকার। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি রয়েছে এবং তিনি গণতন্ত্রকে মজবুত করতে চান। একই সঙ্গে সুশাসনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। রাজ্য সরকারের বহু বিধায়ক ও মন্ত্রী এবার প্রথমবারের মতো বিধানসভায় এসেছেন। পরিষদীয় নিয়মকানুন, বিধানসভার কার্যপ্রণালী, প্রশ্নোত্তর পর্ব, বিল পেশ, আলোচনায় অংশগ্রহণ—এই সব বিষয় তাঁদের কাছে নতুন। সেই কারণেই নবনির্বাচিত বিধায়কদের জন্য এই দুই দিনের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ওম বিড়লা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির সবসময় শেখার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন। বিধানসভা শুধু বক্তব্য রাখার জায়গা নয়, এখানে নিয়ম মেনে মানুষের সমস্যা তুলে ধরা এবং সমাধানের পথ তৈরি করাই একজন বিধায়কের দায়িত্ব। পশ্চিমবঙ্গের হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের কথাও এদিন তুলে ধরেন লোকসভার স্পিকার। তাঁর বক্তব্য, সুস্থ গণতান্ত্রিক চর্চা, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমেই রাজ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।রাজনৈতিক মহলের মতে, নবনির্বাচিত বিধায়কদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে লোকসভার স্পিকারের উপস্থিতি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা রাজ্য রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিল।






