Migrant Employment: পরিযায়ীদের রাজ্যে ফেরানোর উদ্যোগ, স্থায়ী কাজ দেওয়ার ঘোষণা
মানুষকে যে এভাবে নির্যাতন করা যায় তা ভাবাই যায় না। গা-শিউরে ওঠা একাধিক অত্যাচারের কথা বারবার তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Truth Of Bengal: ২২লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলায় ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় এসে যাতে তাঁরা কাজ পায় (Migrant Employment) সেজন্য প্রকল্প আনার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
[আরও পড়ুন: Bill Gates on AI: বিল গেটসের ভবিষ্যদ্বাণী, এই ৩টি চাকরি কখনওই কেড়ে নিতে পারবে না কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]
বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের অত্যাচার সীমা ছাড়াচ্ছে। দিল্লি-মহারাষ্ট্র-হরিয়ানা-অসম-ছত্তিশগড়-ওড়িশা সহ একাধিক রাজ্যে হয় বাঙালি নিপীড়ন, নিধন নয়তো,ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানুষকে যে এভাবে নির্যাতন করা যায় তা ভাবাই যায় না। গা-শিউরে ওঠা একাধিক অত্যাচারের কথা বারবার তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিভেদকামীরা যেভাবে বাঙালির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে তাতে মুখ্যমন্ত্রী সোমবারও বোলপুরের প্রশাসনিক বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
একইসঙ্গে যাঁরা এই রাজ্যের প্রকৃত ভোটার তাঁদের অধিকার রক্ষায় জোর দেন তিনি। এর মধ্যে দিল্লিতে রাজ্যের আধিকারিকদের একটি শিবিরের ব্যবস্থা করেছে কমিশন। সেই বিষয়ে প্রশাসনিক প্রধান উল্লেখ করেন, জেলাশাসকদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। অনেকসময় দেখা যাচ্ছে জেলাশাসকেরা দায়িত্ব দিচ্ছেন নীচের কাউকে। ১০০০ লোককে দিল্লি নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলাশাসকদের ভোটার তালিকা ও ভোট পরিচালনার প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় মুখ্যসচিবকে জানানোর নির্দেশও দেন তিনি (Migrant Employment)।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, বাংলার ১জনও বৈধ ভোটার যাতে বাদ না যায় তা দেখতে হবে প্রশাসনকে। বাংলার বাইরে যাওয়া ২২লক্ষ শ্রমিককে বাংলায় ফিরিয়ে এনে কাজ দেওয়া হবে। বিকল্প কর্মসংস্থানের প্রকল্পের রূপরেখা ঠিক করবেন সামিরুল ইসলাম, মলয় ঘটক। রাজ্যের ভূমিপুত্রদের কর্মশ্রী প্রকল্পে যুক্ত করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর।
[আরও পড়ুন: Fruit Masks: ফ্রুট মাস্ক ব্যবহার করেন? আপনার ত্বকের জন্য কোনটি কতটা ভাল জানেন?]
বীরভূমের শিল্প-বিপ্লবের সূচনা হওয়া সময়ের অপেক্ষা। ৩৫হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে ১লক্ষ মানুষের রোজগারের সুযোগ করে দেবে বলে তিনি মনে করেন। বাংলার সঙ্গে বিজেপি শাসিত রাজ্যের তফাতটাও তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই রাজ্যে দেড় কোটি ভিনরাজ্যের শ্রমিক স্বচ্ছন্দে, নিরাপদেও শান্তিতে কাজ করছে। আর বিজেপির রাজ্যে গেলেই বাংলার শ্রমিকদের রুটি-রুজি কেড়ে নেওয়ার মতোই হয়রানি করা হচ্ছে। নাগরিক অধিকার রক্ষায় প্রশাসনকে সতর্কবার্তা দিয়ে মানবিক বাংলার মুখ তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী (Migrant Employment)।






