রাজ্যের খবর

‘নন্দীগ্রামে কোনও ব্যক্তিগত লড়াই নেই, এটা গণতন্ত্রের উৎসব!’ ভোট দিয়ে দাবি হাসিরানি রথের

বিজেপির লক্ষ্য শুধু জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ানো

Truth of Bengal: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে সকাল সকাল ভোটের লাইনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রয়াত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তাঁর বার্তা, নন্দীগ্রামে কোনও ব্যক্তিগত লড়াই নয়, গণতন্ত্রের উৎসব চলছে। বিজেপির লক্ষ্য শুধু জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ানো। ভোটের দিন সকাল থেকেই ব্যস্ত ছিলেন হাসিরানি। প্রথমে রেয়াপাড়ার শিবমন্দিরে পুজো দেন। এরপর কালীমন্দির ও রামমন্দির-সহ একাধিক মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেন বিজেপি প্রার্থী। ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হাসিরানি বলেন, “ঈশ্বরই যা করার করবেন।”

বেলা ১০টা নাগাদ বিভিন্ন বুথ পরিদর্শনেও বেরিয়ে পড়েন তিনি। গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ ছাড়াও একাধিক ভোটকেন্দ্রে ঘুরে ভোটগ্রহণের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তাঁর দাবি, এখনও পর্যন্ত বড় কোনও অশান্তি বা সমস্যার খবর পাননি এবং ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে। উপনির্বাচনের রাজনৈতিক লড়াই নিয়ে হাসিরানি বলেন, “এখানে লড়াই কারও সঙ্গে কারও নয়, এটা রাজনৈতিক লড়াই। বিরোধীরা অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়ছেন, আর আমরা লড়ছি মার্জিন বাড়ানোর লক্ষ্যে।” নন্দীগ্রামকে শুভেন্দু অধিকারীর ‘ভদ্রাসন’ বলেও উল্লেখ করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর বক্তব্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই আসনেই জিতেছিলেন শুভেন্দু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছাড়তেই হত। নন্দীগ্রাম ছাড়লেও এই কেন্দ্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলে দাবি হাসিরানির।

প্রয়াত ছেলে চন্দ্রনাথ রথের প্রসঙ্গ উঠতেই হাসিরানি বলেন, “শুভেন্দুবাবু আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সিবিআইয়ের উপর তদন্তের ভার দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, তদন্ত হবে।” সংখ্যালঘু ভোট নিয়েও আশাবাদী বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, “সংখ্যালঘু ভোটাররা এবার আমাদের সরকারের পক্ষে আসবেন। আমাদের বিশ্বাস, তাঁরা আমাদের ভোট দেবেন।” মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকেই একাধিক বুথে ভোটারদের লম্বা লাইন এবং উৎসাহ চোখে পড়েছে। যদিও ভোট শুরু হওয়ার পর কয়েকটি জায়গায় কংগ্রেস প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ সামনে এসেছে। সংখ্যালঘু মহিলা ভোটারদের একাংশের অসন্তোষের ছবিও দেখা গিয়েছে।

Related Articles