Coronation Bridge: ১০০ বছর পেরিয়েও সগর্বে দাঁড়িয়ে করোনেশন ব্রিজ, নেপথ্যে ৩ অকুতোভয় বাঙালি বিজ্ঞানী
একদিকে সুউচ্চ হিমালয় পর্বত, নীচ দিয়ে কুলকুল করে বয়ে চলেছে খরস্রোতা তিস্তা নদী তার আপন ছন্দে।
Truth of Bengal: ব্রিটিশরা ভয় পেয়েছিল। সাহস করে সেতু নির্মাণ করতে এগিয়ে আসেনি। কিন্তু ৩ অকুতোভয় দুঃসাহসী বাঙালি বিজ্ঞানী ব্রিটিশদের মুখে ঝামা ঘষে করে দেখান মিরাকল। এসি দত্ত, এস কে ঘোষ ও কে পি রায় হলেন সেই ৩ বাঙালি বিজ্ঞানী যাঁরা হলেন শিলিগুড়ির অদূরে সেবকের কাছে করোনেশন ব্রিজের আসল রূপকার। একদিকে সুউচ্চ হিমালয় পর্বত, নীচ দিয়ে কুলকুল করে বয়ে চলেছে খরস্রোতা তিস্তা নদী তার আপন ছন্দে। বর্ষার সময় চারিদিকে ছাপিয়ে যায় তিস্তা। তাই এরকম কঠিন এলাকায় সাসপেনশন ব্রিজ তৈরি করা ছিল একপ্রকার দুঃসাধ্য কাজ (Coronation Bridge)।
আরও পড়ুনঃ Bardwan: মায়ের পুজো করবেন মেয়েরা, বর্ধমানে দুর্গাপূজো শিখছেন ২৫৪ জন গৃহবধূ ও ছাত্রী
কিন্তু ব্রিটিশরা দার্জিলিং, ভুটান পাহাড়, উত্তর পূর্ব সীমান্তবর্তী রাজ্যর সঙ্গে ডুয়ার্সের যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করার প্রয়োজন অনুভব করে। দার্জিলিং পাহাড়কে নিজেদের গ্রীষ্মের রাজধানী তৈরি করার অভিপ্রায় সেতু নির্মাণ করার পরিকল্পনা করে ব্রিটিশরা। দীর্ঘ সময় লাগে করোনেশন ব্রিজ তৈরি করতে। স্যর জন চেম্বারসের নেতৃত্বে ৩ বাঙালি ইঞ্জিনিয়ার এ সি দত্ত, এস কে ঘোষ ও কে পি রায় মিলে সেই অসাধ্য সাধনকে সম্ভব করে তোলেন। তাঁরা তিস্তা নদীর ওপর ঝুলন্ত ক্যান্টালিভার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দেন। ২ দিকে পাথরের মধ্যে দিয়ে হুক লাগিয়ে আটকানো থাকবে সেতু। আনুমানিক খরচ ধরা হয় ৪ লাখ পাউন্ড। সেতুর আয়ু ধরা হয় ১০০ বছর (Coronation Bridge)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
১৯৩৭ সালে সেতু নির্মাণের খরচ অনুমোদন করে ব্রিটিশ সরকার। নাম রাখা হয় করোনেশন ব্রিজ। জলপাইগুড়ির দিকে সেতুর মুখে ২টি বাঘের মুখের আদলে মূর্তি বসানো হয়। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন বাংলার গভর্নর জন অ্যান্ডারসন। সেতুর উদ্বোধনের পর প্রথম বার সেতুর ওপর দিয়ে ১৯৪১ সালে যায় বাংলার গভর্নর জন অ্যান্ডারসনের গাড়ি। সময়ের নিক্তিতে কবেই distinction নম্বর নিয়ে পাশ করে গেছে করোনেশন ব্রিজ (Coronation Bridge)।






