রাজ্যের খবর

Child Marriage: অদম্য সাহস! জোর করে বিয়ে রুখতে থানায় ফোন দশম শ্রেণির ছাত্রীর

বাড়ি থেকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়াল নাবালিকা নিজেই। কোনরকমে ফোন জোগাড় করে সে খবর দেয় থানায়।

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর : প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে কোনভাবেই মেয়েদের বিয়ে দেওয়া চলবে না, আইনত তা দণ্ডনীয় অপরাধ। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার পরেও নাবালিকাদের বিয়ের ঘটনা ঘটে চলেছে। এমনই এক ঘটনা সামনে এল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর থেকে। বাড়ি থেকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়াল নাবালিকা নিজেই। কোনরকমে ফোন জোগাড় করে সে খবর দেয় থানায়। সঙ্গে সঙ্গে হাজির হয় পুলিশ। বন্ধ হয় বিয়ে (Child Marriage)।

আরও পড়ুনঃ PSG Victory: টাইব্রেকারে টটেনহ্যামকে হারিয়ে উয়েফা সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নাবালিকার সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়ে বৃহস্পতিবার কন্যাশ্রী দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জেলা পরিষদের শিশু, নারী ও জনকল্যাণ দফতরের আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই নাবালিকা দশম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযোগ, জোর করে তার বিয়ে দিচ্ছিলেন পরিবারের লোকজন। বুধবার সেই কারণেই তাকে স্কুলেও যেতে দেওয়া হয়নি। কেড়ে নেওয়া হয় তার মোবাইল ফোনও। কিন্তু নাবালিকাও দমে যাওয়ার পাত্রী নয় (Child Marriage)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/

পুলিশকে ফোন করতেই তাঁরা গ্রামে যান শিশু কল্যাণ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে। তখন জোরকদমে বিয়ের তোড়জোড় চলছে। পুলিশ দেখেই ঘাবড়ে যান নাবালিকার পরিবারের লোকজন। পুলিশ আধিকারিকরা তাঁদের আবার জানান, ১৮ বছরের আগে বিয়ে দেওয়া বেআইনি। প্রশাসনের চাপে এর পরে ১৮ বছর নাহলে তাঁরা মেয়ের বিয়ে দেবেন না বলে লিখিত মুচলেকা দেন নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা (Child Marriage)।

Related Articles