সিবিএসই পরীক্ষায় ৯৯.২% নম্বর! কৃতি বাঙালি ছাত্রী সৌমিলি মৈত্রকে সংবর্ধনা শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের
ওড়িশা-বাংলা-ছত্তিশগড় কাঁপানো সৌ মিলিকে সশরীরে ডেকে সম্মানিত করলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন!

Truth of Bengal: সর্বভারতীয় শিক্ষা বোর্ডে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং ছত্তিশগড় জুড়ে মেধার জয়জয়কার! সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণীর (CBSE Class XII) পরীক্ষায় অভূতপূর্ব ফলাফল করে গোটা পূর্ব ভারতের নজর কেড়ে নিয়েছে কৃতি ছাত্রী সৌমিলি মৈত্র। ওড়িশার কটকে অবস্থিত স্বনামধন্য বোর্ডিং স্কুল ‘সাই ইন্টারন্যাশনাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল’ (SIRS)-এর এই কৃতি ছাত্রীকে এবার বিশেষ মর্যাদায় সম্মানিত করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। গত ১৪ জুলাই, ২০২৬ (মঙ্গলবার) কলকাতার বিকাশ ভবনে নিজের দফতরে সৌ মিলিকে ডেকে তাঁর এই অসামান্য সাফল্যের জন্য বিশেষ সম্মান প্রদান করেন পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী শ্রী দীপক বর্মন।
এ বছরের সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় সৌমিলি মৈত্র ৪৯৬ নম্বর পেয়ে (শতকরা ৯৯.২% নম্বর) ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং ছত্তিশগড় অঞ্চলের অন্যতম সেরা রিজিওনাল টপার (Regional Topper) হিসেবে উঠে এসেছে। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে গর্বিত গোটা পূর্ব ভারত।
আপ্লুত কৃতি ছাত্রী সৌমিলি
শিক্ষামন্ত্রীর হাত থেকে এই সম্মাননা পেয়ে অত্যন্ত আপ্লুত সৌমিলি মৈত্র। এক বিবৃতিতে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সে জানায়, “এই সম্মান লাভ করাটা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। এটি আমাকে ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করবে। এই বিরল সম্মানের জন্য আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমার এই কৃতিত্ব আমি আমার মা-বাবা, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং আমার স্কুল ‘সাই ইন্টারন্যাশনাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল’-কে উৎসর্গ করছি, যাদের অবিরত সমর্থন ছাড়া আমার এই পথচলা সম্ভব হত না।”
ধন্য ধন্য করছে শিক্ষামহল
ওড়িশার সেরা কো-এড বোর্ডিং স্কুল হিসেবে পরিচিত ‘সাই ইন্টারন্যাশনাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল’-এর পক্ষ থেকেও সৌমিলির এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা হয়েছে। স্কুলের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর তথা হেডমাস্টার অমিতাভ অগ্নিহোত্রী জানান, সৌমিলির এই নজিরবিহীন সাফল্য তাদের স্কুলের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য এক পরম অনুপ্রেরণা। ভিন রাজ্যের নামী বোর্ডিং স্কুলে পড়াশোনা করে আঞ্চলিক স্তরে শীর্ষে থাকা এই ছাত্রীকে খোদ পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী যেভাবে কুর্নিশ জানালেন, তা রাজ্যের শিক্ষামহলেও এক ইতিবাচক বার্তা দিল। সৌমিলির এই সাফল্যে যেমন খুশি তাঁর পরিবার, তেমনই গর্বিত তাঁর স্কুল কর্তৃপক্ষও।





