Truth Of Bengal: ডিসেম্বরে বেশ ভালোই শীত পড়েছে বাংলায়, যদিও আর কিছু দিন পরেই বড়দিন। আর বড় দিন মানেই ছুটি সমস্ত স্কুল কলেজ এমনকি অফিস আদালতও। আর এই শীতের মরসুমকে চুটিয়ে উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে পৌঁছে যেতে হবে উত্তরবঙ্গের কোন এক পাহাড়ের কোলে। কোথায় যাবেন ভাবছেন? দার্জিলিং এর কোলে আরও এক ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম লিংডিং থেকে ঘুরে আসুন।
দেখবেন সারা সপ্তাহের ক্লান্তি কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে যাবে। এই গাঁও রংলি চা বাগানের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে এই গ্রামের দূরত্ব ৬৫ কিলোমিটার। শিলিগুড়ি থেকে এই গ্রামে পৌঁছতে সময় লাগবে ঘণ্টাখানেক। পাহাড়প্রেমী মানুষদের কাছে এই গাঁও ভ্রমণের সেরা গন্তব্যগুলির মধ্যে একটি।
পাহাড় মানেই সেখানে রঙবেরঙের ফুলের বাহার। যার গন্ধে ভরে উঠেছে গোটা পাহাড়ি উপত্যকা। নানা ধরনের অর্কিডের সমাহারও দেখা যায় এই পাহাড়ি গ্রামে।
এই পাহাড়ি গ্রাম পায়ে হেঁটে ঘুরলে দেখতে পাবেন এই গ্রামের বাকে বাকে রয়েছে প্রকৃতির নানারুপ বৈচিত্র্য। কোথাও কমলাবাগান কোথাও এলাচ বন আবার কোথাও রয়েছে বাঁশ বাগান। এখানকার স্থানীয়রা আদা চাষ ও করে থাকেন। পাহাড়ের কিছুটা উপরের ধাপে ভুট্টা চাষ করা করছেন এখানকার স্থানীয়রা।
এই গ্রাম থেকে দূরের দিকে তাকিয়ে দেখা যায় কালবং গ্রাম আর তার ঠিক নীচে দেখা যায় চেকরা। পাহাড়ের ধাপে ধাপে মেঘরা এখানে যেন গাভির মতো চড়ে বেরায়। মেঘ সরলে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার অসাধারণ দৃশ্য।
দার্জিলিং জেলা ও দার্জিলিং পাহাড়ের রংলি সাবডিভিশন আর তাকদা ব্লকের অন্তর্গত এই লিংডিং উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি পর্যটনে এক নতুন স্পট। আপনি চাইলে শিলিগুড়ি থেকে ছোট গাড়ি করে পৌঁছে যেতে পারবেন এখানে।
গ্রামের দুটি অংশ আছে একটি লোয়ার লিংডিং অন্যটি আপার লিংডিং। পাহাড়ের অনেক নীচে রয়েছে লোয়ার লিংডিং, যেখানে হাঁটা পথেই ঘুরে দেখা যায় পাহাড়ি উপত্যকা। এই গ্রামে মোট ১৬ টির মতো পরিবার রয়েছে যারা লেপচা সম্প্রদায়ের। তাঁদের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটে এই গ্রামে আসলে।






