ঋষিদের আবাসস্থলে কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন! অফবিট পর্যটনের নতুন ঠিকানা দার্জিলিংয়ের এই ছোট্ট গ্রাম
আকাশ মেঘমুক্ত পরিষ্কার থাকলে দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড়ের ঝলক দেখা যায়
Truth of Bengal: ভিড় এড়িয়ে নিরিবিলি পরিবেশে প্রকৃতির সান্নিধ্যে দুদণ্ড শান্তিতে কাটানোর আদর্শ ঠিকানা হল দার্জিলিংয়ের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম রিশিহাট। দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রামে আসলে শান্ত চা বাগানের কোলে পাহাড়ি জনপদ নজরে পড়বে। প্রকৃতি নিজের হাতে সাজিয়েছে রিশিহাটকে। দার্জিলিং থেকে ভাড়া গাড়িতে চেপে অনায়াসে পৌঁছে যাওয়া যায় রিশিহাট। পথের বাঁকে দেখা মিলবে চা বাগানের। এখানে এলে মেঘ রোদ্দুরের খেলা চলে। তারই মধ্যে আকাশ মেঘমুক্ত পরিষ্কার থাকলে দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড়ের ঝলক দেখা যায়।

রিশিহাট গ্রামের প্রধান আকর্ষণ হল দার্জিলিং পাহাড়ের অন্যতম প্রাচীন চা বাগান রিশিহাট টি এস্টেট। রিশিহাট শব্দর অর্থ হল ঋষিদের আবাসস্থল। ব্রিটিশরা রিশিহাট টি এস্টেট ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময় তৈরি করেন। স্থানীয় শেরিং সম্প্রদায়ের মানুষজনের জনবসতির কথা মাথায় রেখে এই রিশিহাট টি এস্টেটের অপর নাম হল শেরিং বাগান। শেরিং সম্প্রদায়ের মানুষজন কমলালেবু, এলাচ, ফুল ও সবজির চাষ করেন জৈব উপায়। যাঁরা ছবি তুলতে ভালোবাসেন। ট্রেকিং করতে বা প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটাতে চান তাঁদের জন্য আদর্শ ঠিকানা হল দার্জিলিং পাহাড়ের একেবারে উল্টো দিকে অবস্থিত রিশিহাট।
চা বাগান, পাহাড়, সবুজ উপত্যকা আর কাঞ্চনজঙ্ঘার সহবস্থান হল অফবিট পর্যটন কেন্দ্র রিশিহাটে।

দার্জিলিং থেকে মাত্র ২ ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত এই গ্রামে আসলে দেখা যায় জৈব চাষ। থাকার জন্য কোনো বিলাসবহুল হোটেল না থাকলেও আছে হোম স্টে। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার দরকার নেই। হোম স্টে’র বারান্দায় বসেই কাটিয়ে দেওয়া যায় অফুরন্ত সময়। এখানে নেই শহুরে নাগরিক কোলাহল, আছে অপার শান্তি। রাতের রিশিহাটের রূপ আরও বেশি আকর্ষণীয়। দার্জিলিং পাহাড় যেন দীপাবলির সাজে সেজে ওঠে। অন্ধকারে জোনাকির মতো আলো জ্বলে ওঠে।






