মাঝরাতেই চিঠি পাঠালেন রাজ্যপাল, চিঠি গেল দিল্লিতে ও নবান্নে
West Bengal Governor Sends Confidential Letters To Centre

The Truth of Bengal: গত কয়েক দিন ধরে, রাজ্য ও রাজভবনের সংঘাত চরমে উঠছে। আর তার মূল সূত্রপাত উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর মন্তব্যের পরেই, শনিবার সকালেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস হাঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, রাতেই তিনি কিছু করবেন। কথামতো তিনি দুটি চিঠি পাঠালেন। সূত্রের খবর, দুটি খামবন্দি চিঠি পাঠানো হয়েছে, একটি নবান্ন এবং অন্যটি পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। যদিও দিল্লিতে ঠিক কার উদ্দেশে চিঠি লেখা হয়েছে, তা স্পষ্ট কোনও সূত্র মেলেনি।
গণ্ডগোলের মাত্রা বাড়তে শুরু করেছিল, শুক্রবার বিকেলে। শিক্ষমন্ত্রী ব্রাত্য বসু রেজিস্ট্রারদের সঙ্গে বৈঠক করার পর মন্তব্য করেন রাজ্যপালের উদ্দেশে। তিনি সংঘাতের সুর চড়িয়ে রাজ্যপালকে মহম্মদ বিন তুঘলকের সঙ্গে তুলনা করেন। শনিবার সকালেই তার পাল্টা দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি হুঁসিয়ারি দিয়ে বলেন, মাঝরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, কী করবো দেখতেই পাবেন। এরপরেই রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়। প্রশ্ন উঠতে থাকে, কী এমন চরম পদক্ষেপ করতে চলেছেন রাজ্যপাল? যদিও রাজ্যপালের হুঁশিয়ারিতে কোনও গুরুত্ব না দিয়েই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু পাল্টা খোঁচা মারেন। রাজ্যপালের নাম না করেই, ভ্যম্পায়ারের সঙ্গে তুলনা টানেন। তিনি বলেন, “সাবধান, শহরে নতুন ভ্যম্পায়ার, নাগরিকরা দয়া করে দেখুন। ভারতীয় পৌরাণিক গাথা অনুসারে রাক্ষস প্রহরের জন্য অপেক্ষায় রয়েছি’’
শনিবার বিকেলেই রাজ্যপাল ডেকে পাঠান রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। রাজভবনে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। যদিও সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা কোনও পক্ষের তরফেই কিছু জানানো হয়নি। অবশেষে রাত ১২টার মিনিট দশেক আগে রাজভবনের তরফে দুটি চিঠি পাঠানো হল।
রাজনৈতিকমহলের মত, রাজ্যপাল একটি চিঠি যেমন নবান্নে পাঠিয়েছেন, অপর চিঠিটি রাষ্ট্রপতি অথবা প্রধানমন্ত্রীকে পাঠিয়ে থাকতে পারেন। রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে যে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তার রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে থাকতে পারেন।






