আন্তর্জাতিক

US Diplomacy: পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে ফের আমন্ত্রণ ট্রাম্পের, কূটনীতিতে নতুন মোড়

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন মুনির, যা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে।

Truth of Bengal: একদিকে ভারতের উপর একের পর এক শুল্ক চাপাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  অন্যদিকে ঠিক সেইসময় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। চলতি বছরে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন মুনির, যা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে। পাক সংবাদমাধ্যমের তরফে জানান হয়েছে, অসীম মুনির এবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের বিদায়ী কমান্ডার জেনারেল মাইকেল কুরিলা-র বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছেন। এই অনুষ্ঠানে মুনির কুরিলাকে পাকিস্তান সরকারের তরফে ‘নিশান-ই-ইমতিয়াজ (সামরিক)’ সম্মাননা প্রদান করবেন (US Diplomacy)।

আরও পড়ুনঃ Entally: কলকাতায় ফের বিপজ্জনক বাড়ি ধসলো, এন্টালিতে গুরুতর জখম ২ প্রবীণ নাগরিক

এর আগে গত জুন মাসে ওয়াশিংটন সফর করেন অসীম মুনির। সে সময় তিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সেই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি জানিয়েছিলেন, ‘ অসীম মুনিরই প্রথম ব্যক্তি যিনি ট্রাম্পকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ রুখে দেওয়ার কৃতিত্ব দিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। সেই কারণেই ট্রাম্প তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান (US Diplomacy)।’

জেনারেল কুরিলা বরাবরই পাকিস্তানের সন্ত্রাস দমন অভিযানে ভূয়সী প্রশংসা করে এসেছেন। বিশেষ করে ইসলামিক স্টেট – খোরাসান শাখার বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনার অভিযানকে তিনি ‘দৃষ্টান্তমূলক’  বলে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি আমেরিকা ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি তেল চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পটভূমিতেই ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে উঠেছে ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ। কারণ, একদিকে ট্রাম্প সরকার ঘোষণা করেছে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক, ফলে মোট ৫০ শতাংশ শুল্কে পৌঁছেছে ভারতীয় পণ্যের উপর কর (US Diplomacy)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/

ট্রাম্পের যুক্তি ভারত রাশিয়া থেকে সস্তায় অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে, তাই ‘শাস্তিস্বরূপ’ এই শুল্ক চাপানো হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই নীতি ভারত-মার্কিন কূটনৈতিক সম্পর্কে অবিশ্বাসের আবহ তৈরি করছে। অপরদিকে, পাকিস্তান সেনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে আমেরিকা আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে চাইছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। ভারতের উপর শুল্ক আর পাকিস্তানের সেনা প্রধানকে সাদরে স্বাগত জানানোর ঘটনায় স্পষ্ট দ্বৈত নীতি-র ইঙ্গিত দেখছেন অনেকেই। দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি নিয়ে আগাম দিনের সমীকরণ যে নতুন মোড় নিতে চলেছে, তা বলাই যায় (US Diplomacy)।

Related Articles