Trump Tariffs: সাত দেশকে নিশানা করে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক হামলা, চিন্তিত নয়াদিল্লি
আলজেরিয়া, ব্রুনেই, ইরাক, লিবিয়া, মলডোভা, শ্রীলঙ্কা এবং ফিলিপিন্সের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর কথা তিনি ঘোষণা করেন বুধবার।
Truth of Bengal: শুল্কবোমা অব্যাহত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। আরো সাতটি দেশের উপর এই বোমা ফেললেন রিপাবলিকান নেতা। আলজেরিয়া, ব্রুনেই, ইরাক, লিবিয়া, মলডোভা, শ্রীলঙ্কা এবং ফিলিপিন্সের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর কথা তিনি ঘোষণা করেন বুধবার। স্বাভাবিকভাবেই, এমন পরিস্থিতিতে চিন্তা বাড়ছে নয়াদিল্লির। অনেকে মনে করছেন যে তাদের সঙ্গেও এমনটা হতে পারে এবং এই আঘাত আছড়ে পড়তে পারে (Trump Tariffs) ।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে একের পর এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলা ভালো, যা মনে করছেন তাই করে চলেছেন রিপাবলিকান নেতা। নিজের দেশেই তিনি একাধিক আইন এনেছেন, যা চাপে ফেলেছে অনেককে। শুধু তাই নয়, যেকোনো যুদ্ধে তিনি মধ্যস্থতা করে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করাতে বাধ্য করছেন। এক কথায় বলতে গেলে, এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের উপর তিনি ছড়ি ঘোড়াচ্ছেন (Trump Tariffs)।
আরও পড়ুন: Mob Lynching: মোবাইল চুরির অভিযোগে এক যুবককে পিটিয়ে খুন, আটক ৫
সম্প্রতি, ব্রিকস সামিটে যাওয়ার অপরাধে ট্রাম্প বড় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সদস্যদের। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ব্রিকসের মার্কিন বিরোধী নীতিতে সায় দিলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে। যদিও এর নিন্দা জানিয়েছিল চিন ও ব্রাজিল। দুজনেই এই হুমকির তীব্র কটাক্ষ করেছিল। বিশেষ করে ব্রাজিলের তরফ থেকে বলা হয়েছিল যে কারোর ঔদ্ধত্য বরদাস্ত করা হবে না এবং তেমনটা হলে অন্যান্য দেশগুলিরও আইনি অধিকার রয়েছে আমেরিকাকে পাল্টা দেওয়ার (Trump Tariffs)।
এমন পরিস্থিতিতে গত সোমবার ট্রাম্প অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার কথা জানিয়ে দেন মায়ানমার, দক্ষিণ আফ্রিকার সহ ১২টি দেশকে। এবার বুধবার সেই বোমা পরল আলজেরিয়া, ব্রুনেই, ইরাক, লিবিয়া, মলডোভা, শ্রীলঙ্কা এবং ফিলিপিন্সের উপর। ৩০ শতাংশ চাপানো হচ্ছে আলজেরিয়া, ইরাক, লিবিয়া এবং শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে, ২৫ শতাংশ ব্রুনেই এবং মলডোভার উপর এবং ফিলিপিন্সের ক্ষেত্রে বসানো হচ্ছে ২০ শতাংশ (Trump Tariffs)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/193NB43TzC/
ট্রাম্পের এই শুল্ক হামলা রীতিমতো এক অশনি সংকেত নয়াদিল্লির কাছে। বলা ভালো, এখন থেকেই তারা আতঙ্কে রয়েছে। যদিও ট্রাম্পের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে ভারতের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত চুক্তি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সময় পেরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও বাণিজ্যচুক্তি হয়নি।





