আন্তর্জাতিক

গাজায় শান্তির সূচনা! হামাসের কবল থেকে মুক্তি পেল ৭ ইজরায়েলি বন্দি

ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন গালি ও জিভ বারম্যান, মাতান অ্যাংগ্রেস্ট, আলোন ওহেল, ওমরি মিরান, এইতান মোর এবং গাই গিলবোয়া-ডালাল।

Truth Of Bengal: হামাসের হেফাজত থেকে মুক্তি পেলেন সাতজন ইজরায়েলি বন্দি। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁদের, যা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ হিসেবে ধরা হচ্ছে। ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন গালি ও জিভ বারম্যান, মাতান অ্যাংগ্রেস্ট, আলোন ওহেল, ওমরি মিরান, এইতান মোর এবং গাই গিলবোয়া-ডালাল।

তবে এখনো তাঁদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই বন্দিদের গ্রহণ করার ঘোষণা দেয়নি। যদিও পুরো দেশজুড়ে হাজার হাজার ইজরায়েলি নাগরিক এই মুক্তি কার্যক্রম লাইভ স্ক্রিনে দেখছিলেন এবং রেড ক্রস প্রতিনিধির হাতে বন্দিদের হস্তান্তরের সময় জোরাল করতালিতে উল্লাস প্রকাশ করেন।

ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাকি বন্দিদের মুক্তির প্রক্রিয়াও খুব শীঘ্রই শুরু হবে। এই বন্দি বিনিময় ও যুদ্ধবিরতির মূল চালিকা শক্তি ছিল একটি চুক্তি, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ দুই বছরের যুদ্ধের পরে এই চুক্তিকে একটি বড় কূটনৈতিক সফলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার সকালেই হামাস ২০ জন জীবিত বন্দির একটি তালিকা প্রকাশ করে, যাদের মুক্তি দেওয়া হবে এই যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে। অন্যদিকে, ইজরায়েল সরকার জানিয়েছে, এই বিনিময়ের অংশ হিসেবে তারা ১,৯০০-রও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে।

এরই মাঝে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ওই অঞ্চলে পৌঁছেছেন, যেখানে এই যুদ্ধবিরতির পরে গাজা ও হামাসের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে। এই বন্দি বিনিময় এবং যুদ্ধবিরতি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতের অবসানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।