বিসিসিআইয়ের সূচি নিয়ে অসন্তোষ গৌতির দল নির্বাচন নিয়ে বিকল্প পরিকল্পনা বোর্ডের
বোর্ডের এই দ্রুত সূচির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক শুভমান গিল।
Truth Of Bengal: আইপিএল ২০২৬ শেষ হওয়ার পরপরই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্ট আয়োজন ঘিরে ভারতীয় দলে তৈরি হয়েছে অস্বস্তি। বোর্ডের এই দ্রুত সূচির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক শুভমান গিল। সূত্রের খবর, এই সময়সূচি নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন তাঁরা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
আইপিএলের ফাইনাল ৩১ মে। আর তার মাত্র ছয় দিনের মধ্যেই, ৬ জুন থেকে শুরু হওয়ার কথা আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। এত কম ব্যবধানে দীর্ঘ টুর্নামেন্ট শেষ করে আবার টেস্ট খেলতে নামা নিয়ে চিন্তায় টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে খেলোয়াড়দের ক্লান্তি ও চোটের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচকরা এখন বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল পারফর্ম করা কয়েকজন নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তালিকায় রয়েছে গুরনুর ব্রার, মানব সুধার, আকিব নবি এবং দেবদত্ত পাডিক্কলের মতো নাম।
অন্যদিকে বিশ্রামে রাখা হতে পারে দলের বড় তারকাদের। জসপ্রীত বুমরাহ, শুভমান গিল, লোকেশ রাহুল এবং রবীন্দ্র জাদেজার মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের আইপিএলের পরপরই আবার টেস্ট খেলানো ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্রের দাবি, আফগানিস্তান টেস্টে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কোনও পয়েন্ট নেই। তাই এই ম্যাচকে তুলনামূলক কম গুরুত্ব দিয়ে নতুনদের সুযোগ দেওয়ার দিকেই ঝুঁকছে নির্বাচকরা। কারণ এর পরই রয়েছে ওয়ানডে সিরিজ এবং ইংল্যান্ড সফরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচি, যেখানে মূল দলকে ফিট ও সতেজ রাখা জরুরি।
একই সঙ্গে আরও বলা হয়েছে, খেলোয়াড়দের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া ঠিক হবে না। কারণ অনেক ক্রিকেটারকে টানা আইপিএল, টেস্ট এবং ওয়ানডে মিলিয়ে দীর্ঘ সময় মাঠে থাকতে হবে। এতে ক্লান্তি ও চোটের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
সূত্রের ভাষায়, এই সময়সূচিতে একাধিকবার ফরম্যাট বদলাতে হবে খেলোয়াড়দের, যা মোটেও সহজ নয়। তাই কোচ ও অধিনায়ক আগেও এমন সূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন এবং এবারও তাঁদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
সব মিলিয়ে এখন নজর রয়েছে নির্বাচক কমিটি ও টিম ম্যানেজমেন্টের আলোচনার দিকে। অভিজ্ঞদের বিশ্রাম দিয়ে নতুনদের সুযোগ দেওয়া হবে কি না, নাকি পুরো শক্তি নিয়েই নামবে ভারত— সেই সিদ্ধান্তই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।






