আন্তর্জাতিক

Pakistan Terror: TTP-র গুলিতে নিহত অভিনন্দনকে আটককারী মইজ আব্বাস!

Major Moiz Abbas Shah, the Pakistan Army officer who claimed to capture Indian Air Force pilot Abhinandan Varthaman in 2019.

Truth Of Bengal: ২০১৯ সালে ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে আটক করার দাবি করেছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর মইজ আব্বাস শাহ (Pakistan Terror)। এবার দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (TTP) সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন তিনি। এক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ল্যান্স নায়েক জিবরানউল্লাহও নিহত হন বলে পাকিস্তান সেনার তরফে জানানো হয়েছে।

৩৭ বছর বয়সী মইজ আব্বাস পাকিস্তানের চক্রাল জেলার বাসিন্দা। সেনাবাহিনীর অভিজাত বাহিনী স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপে(SSG) তিনি কর্মরত ছিলেন। পাকিস্তান সেনার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে এক জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর সময় হামলার মুখে পড়ে বাহিনী। সেই অভিযানে দুই সেনাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে(Pakistan Terror)।

এই ঘটনা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সক্রিয় উগ্রপন্থী সংগঠনগুলির সঙ্গে সরকারের জটিল সম্পর্ক। একসময় পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রশ্রয়ে বেড়ে ওঠা TTP বর্তমানে উল্টো পাকিস্তানেরই জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

২০১৯ সালের প্রেক্ষাপটে মইজের পরিচিতি

২০১৯ সালে পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চরমে ওঠে। সেই সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাল্টা আক্রমণ করে, বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর অভিনন্দন বর্তমান একটি MiG-21 বাইসন যুদ্ধবিমান চালিয়ে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ডগফাইটে লিপ্ত হন। তাঁর বিমানটি গুলি করে নামানো হয়। সেকারণে তিনি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পড়ে যান। এরপর তাঁকে পাকিস্তান সেনা আটক করে, এবং দাবি করা হয় সেই অভিযানে নেতৃত্বে ছিলেন মইজ আব্বাস শাহ। পরে আন্তর্জাতিক চাপে অভিনন্দনকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তান(Pakistan Terror)।

TTP: গঠন ও বর্তমান কার্যকলাপ

২০০৭ সালে ইসলামাবাদের লাল মসজিদ অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় গঠিত হয় Tehreek-e-Taliban Pakistan (TTP)। এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাকারী হুসেন মেহসুদ আত্মঘাতী জঙ্গি প্রস্তুত করতেন। বর্তমান প্রধান নূর ওয়ালি মেহসুদ সহ অনেকেই জৈশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-জাঙ্গভির জিহাদি শিবিরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বলে রিপোর্টে উঠে এসেছে। অভিযোগ, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI-র মদতেও এক সময় প্রশিক্ষিত হয়েছে এই জঙ্গিগোষ্ঠী।

২০২৪ সাল পর্যন্ত পর্যন্ত TTP-এর হামলায় ১২০০-র বেশি সামরিক ও পুলিশ কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এই বছরেই নিহত হয়েছেন অন্তত ১১৬ জন সেনা(Pakistan Terror)।

Related Articles