Iran Retaliates: আমেরিকার হামলার পর পালটা মার ইরানের, ইজরায়েলে মৃত অন্তত ১১
Iran Retaliates After US Strike on Nuclear Sites, Middle East Tensions Soar
Truth Of Bengal: আমেরিকা ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলার পর এবার পাল্টা প্রতিশোধ নিল তেহরান (Iran Retaliates)। রবিবার সকাল থেকেই ইজরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর-সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে কমপক্ষে ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেইসঙ্গে জখম হয়েছেন বহু মানুষ।
[আরও পড়ুন: Kandi: বাতের ব্যথা সারাতে “পুণ্যস্নান” করে ফেরার পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কান্দিতে]
এমনটাই জানিয়েছে ইরান। এই হামলা প্রতিহত করতে ইজরায়েল ‘আয়ন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে। ইরানের তরফে সরাসরি এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার করা হয়েছে। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কারণে ইজরায়েলের বিভিন্ন জায়গায় ফের সাইরেন বেজে উঠেছে।
এই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আমেরিকার বোমাবর্ষণ, যা ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে চালানো হয়। এই হামলার ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম নিরাপত্তা সঙ্কট তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত একধাপ এগোলে তা বিশ্বযুদ্ধের আকার নিতে পারে। এদিকে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কড়া ভাষায় আমেরিকার নিন্দা করেছেন। তাঁর কথায়, রাষ্ট্রসংঘের স্থায়ী সদস্য হয়ে আমেরিকা ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক আইন এবং রাষ্ট্রসংঘ সনদের ভয়ঙ্কর লঙ্ঘন করেছে (Iran Retaliates)।
এই হামলা অমার্জনীয় এবং এর পরিণতি হবে দীর্ঘস্থায়ী। তাঁর মতে, ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার রয়েছে এবং ইরান এই প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক নীতির পরিপন্থী কিছু করেনি। অন্যদিকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার এক বিবৃতিতে ইরানকে শান্তির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখাটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসা উচিত। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি— তাই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অনুমতি ইরানকে কখনও দেওয়া যাবে না।
প্রসঙ্গত, শুক্রবারই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, ইরানকে তাদের পরমাণু গবেষণা বন্ধ করতে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। কিন্তু সেই সময়সীমার আগেই মার্কিন সেনার এই আকস্মিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উপকূলীয় জলপথ, বাণিজ্যপথ এবং আকাশপথে ভয়াবহ উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে (Iran Retaliates)।
[আরও পড়ুন: Bumrah-Gambhir: সাজঘরে ফিরেই গৌতির সঙ্গে তর্কে জড়ালেন বুমরা]
বলা বাহুল্য, চলতি মাসে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে ইরান-ইজরায়েলের। যত দিন এগিয়েছে পরিস্থিতি তত ভয়াবহ হয়েছে। তেল আভিভ-সহ একাধিক জায়গায় হামলা চালিয়েছে ইরান। আর তাতে দুই দেশের মধ্যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে নজর এখন পশ্চিম এশিয়ার দিকে। এই সংঘাত কতদূর গড়ায়, এবং তাতে বৈশ্বিক স্থিতাবস্থার কী প্রভাব পড়ে— তারই দিকেই তাকিয়ে গোটা আন্তর্জাতিক মহল (Iran Retaliates)।






