Indian Killed: মার্কিন মুলুকে পুলিশের গুলিতে নিহত তেলেঙ্গানার যুবক!
ঘটনাটির সূত্রপাত গত ৩ সেপ্টেম্বর। পুলিশ সূত্রে খবর, সেদিন স্থানীয় জরুরি পরিষেবার নম্বর ৯১১-এ ফোন আসে। ফোনে জানানো হয়, এক ব্যক্তি ছুরি নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছেন।
Truth of Bengal: মার্কিন মুলুকে ফের প্রাণ হারালেন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তির কর্মী। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন তেলেঙ্গানার মেহবুবনগরের বাসিন্দা ৩০ বছর বয়সী মহম্মদ নিজামুদ্দিন।মার্কিন পুলিশের দাবি, রুমমেটের সঙ্গে ঝামেলা। সেই ঝামেলা গড়ায় হাতাহাতিতে। আর তাতেই মৃত্যু হয় নিজামুদ্দিনের। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে নিহতের পরিবার। তাঁরা গোটা ঘটনায় বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ তুলেছেন। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের দাবি তুলেছে তারা (Indian Killed)।
আরও পড়ুনঃ Haridevpur Rape Case: হরিদেবপুর গণধর্ষণ কাণ্ড, অবশেষে জালে মূল অভিযুক্ত দেবাংশু বিশ্বাস
ঘটনাটির সূত্রপাত গত ৩ সেপ্টেম্বর। পুলিশ সূত্রে খবর, সেদিন স্থানীয় জরুরি পরিষেবার নম্বর ৯১১-এ ফোন আসে। ফোনে জানানো হয়, এক ব্যক্তি ছুরি নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তাঁদের দাবি, এসি চালানো নিয়ে নিজামুদ্দিনের সঙ্গে তাঁর রুমমেটের অশান্তি হয়। অশান্তির মধ্যেই ছুরি নিয়ে আঘাতের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেশীরাই পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ আসার পর ঠিক ঘটেছিল, তা স্পষ্ট নয়। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ চার রাউন্ড গুলি চালায়। তাতেই মৃত্যু হয় নিজামুদ্দিনের। এই নিয়ে কোন মন্তব্য করেনি মার্কিন পুলিশ। তবে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে সান্তা ক্লারা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এবং সান্তা ক্লারা ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির অফিস (Indian Killed)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/
তবে নিহতের পরিবার দাবি করছে, ঘটনার সময় নিজামুদ্দিন নিজেই পুলিশে ফোন করেছিলেন। এমনকি মৃত্যুর আগে তিনি লিঙ্কডইনে একটি পোস্ট করেন, যেখানে তিনি বর্ণবিদ্বেষ, জাতিগত হয়রানি, বেতন জালিয়াতি এবং অন্যায়ভাবে চাকরি খোয়ানোর মতো অভিযোগ প্রকাশ করেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন— যথেষ্ট হয়েছে, বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ আমেরিকান মানসিকতার অবসান ঘটাতে হবে।নিজামুদ্দিনের বাবার বক্তব্য, তাঁর ছেলের দেহ বর্তমানে সান্তা ক্লারার একটি হাসপাতালে রাখা আছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইতিমধ্যেই তিনি ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সাহায্য চেয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকায় যান নিজামুদ্দিন। ফ্লোরিডার একটি কলেজ থেকে এমএস ডিগ্রি অর্জন করার পর আইটি সংস্থায় কাজ শুরু করেন। পরে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান। আর সেখানেই মৃত্যু হল ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তির কর্মী নিজামুদ্দিনের (Indian Killed)।






