Bangladesh Election: মহম্মদ ইউনূসের সরকারের বড় সিদ্ধান্ত, ‘নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ!
তবে, যদি নির্বাচনের আগে বিচার সম্পন্ন হয় তখন সেটা দেখা যাবে।' NCP-র বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন কমিশনের তালিকায় যে প্রতীকগুলো রয়েছে, সেই প্রতীকগুলো দেওয়া হবে।
Truth of Bengal: বছর ঘুরলেই বাংলাদেশে নির্বাচন। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলও নেমে পড়ছে ময়দানে। এই আবহের মধ্যেই শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। মহম্মদ ইউনূসের সরকার নয়, নির্বাচন কমিশনের তরফে একথা জানান হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তাছাড়া সরকারও বলেছে যে তাদের বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে দলটির অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই (Bangladesh Election)।
তবে, যদি নির্বাচনের আগে বিচার সম্পন্ন হয় তখন সেটা দেখা যাবে।’ NCP-র বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন কমিশনের তালিকায় যে প্রতীকগুলো রয়েছে, সেই প্রতীকগুলো দেওয়া হবে। তাই শাপলা প্রতীক এখনই দেওয়া হবে না। তবে কমিশন সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করার লক্ষ্যে কাজ করছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আইনগতভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত। বর্তমানে আওয়ামী লীগ একটি স্থগিত দল। স্থগিত দল মানে তাদের সকল কার্যক্রম স্থগিত। তাই আগামী নির্বাচনে তারা অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে (Bangladesh Election)।
পিআরের নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, পিআর নির্বাচন হবে কি- হবে না তা রাজনৈতিক বিষয় তাই রাজনীতিবীদরা সিদ্ধান্ত নেবেন। এই বিষয় নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ইসি বলেন, নির্বাচন করা কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। ‘সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, কোস্টগার্ডসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে যাঁরা আছেন, সবাই থাকবেন। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। তারপর সেই দেশের ক্ষমতা দখল করে মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বতীকালীন সরকার। তারপরই আওয়ামি লিগ ও সেই দলের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে মামলাও হয় অনেক (Bangladesh Election)।






