দেশ

ট্রাম্পের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তিতে শুল্ক-স্বস্তি, মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ এনডিএ শিবির

বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত ইতোমধ্যে ইইউ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মরিশাস, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বড় বড় বাণিজ্য চুক্তি সফলভাবে স্বাক্ষর করেছে।

Truth Of Bengal: দীর্ঘ টানাপোড়েন ও প্রায় ছয়বারের বৈঠকের পর অবশেষে চূড়ান্ত হলো ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের উপর থাকা শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনে। এ সিদ্ধান্তের পরেই মঙ্গলবার এনডিএ সাংসদদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যে হাততালি ও প্রশংসার ঢেউ উঠেছিল।

বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত ইতোমধ্যে ইইউ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মরিশাস, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বড় বড় বাণিজ্য চুক্তি সফলভাবে স্বাক্ষর করেছে। তিনি আরও বলেন, “এটি সাধারণ কোনো অর্জন নয়। বিশ্বমঞ্চে ভারতের স্বীকৃতি ও মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাণিজ্য চুক্তি ভারতের উপর বিশ্বজুড়ে অনেক দেশের আস্থা বৃদ্ধি করে এবং দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।”

মোদি-ট্রাম্পের ফোনালাপের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারত ও আমেরিকা একটি বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এরপরই তিনি জানান, ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের উপর পারস্পরিক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করবে। এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

তবে এই বাণিজ্য চুক্তিকে বিরোধী দলগুলো ফের মোদির পরাজয় হিসেবেই দেখছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, দিল্লি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে এবং তার পরিবর্তে আমেরিকার কাছ থেকে তেল কিনবে ভারত। এছাড়াও তিনি বলেছেন, ভারতের আমেরিকা থেকে ৪৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৬২২ কোটি টাকার পণ্য কেনার কথাও বলা হয়েছে। এই শর্তেই ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে ট্রাম্পের দাবি।

এমন ঘোষণার পরই কংগ্রেসসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলো এই বিষয়টিকে সামনে এনে কটাক্ষ শুরু করেছে। তাদের দাবি, বাণিজ্য চুক্তির নামে ভারতের ওপর চাপ তৈরি করা হয়েছে এবং দেশের স্বার্থে ক্ষতিকর শর্ত চাপানো হয়েছে।

Related Articles