সংসদ অভিযানে ধুন্ধুমার রাজধানী! ‘আরশোলাদের’ সঙ্গে বৈঠকের পরই ধর্না তোলার আর্জি নাড্ডার
"আন্দোলন তুলুন, শান্তি বজায় রাখুন!" রণক্ষেত্রের আবহে সিজেপি-কে চূড়ান্ত আর্জি মোদি সরকারের!
Truth of Bengal: দিল্লি পুলিশের নিষেধাজ্ঞা ও ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে সোমবার সকালে সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আর সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই সোমবার কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল রাজধানী দিল্লি। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ, যার ফলে পরিস্থিতি মারাত্মক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই চরম বিশৃঙ্খলার আবহেই আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। বৈঠকের পরেই মোদি সরকারের তরফে ‘আরশোলা’দের আন্দোলন থামিয়ে ধর্না তুলে নেওয়ার বিশেষ আর্জি জানানো হয়েছে।
সোমবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং সিনিয়র নেতা আশুতোষ রঙ্কারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন জে পি নাড্ডা। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই আলোচনা হয়েছে জানিয়ে পরে তিনি নিজের ‘এক্স’ (টুইটার) হ্যান্ডলে লেখেন, “বিক্ষোভকারীদের অনুরোধেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবি সংবলিত একটি পিটিশন সরকারের কাছে জমা দিয়েছেন।”
🚨#ImportantAnnouncement: @AshutoshRanka and I have been at J.P. Nadda’s residence since 12 noon. The demands have been conveyed, including immediate resignation/sacking of Dharmendra Pradhan.
The Minister assured us he will discuss this at the appropriate level. However, no… pic.twitter.com/vzLluczbkV
— Saurav Das (@SauravDassss) July 20, 2026
বৈঠক শেষে আন্দোলন থামানোর আহ্বান জানিয়ে নাড্ডা বলেন, “আমি সমস্ত বিক্ষোভকারীকে তাঁদের অবস্থান কর্মসূচি অবিলম্বে শেষ করার অনুরোধ করছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে তাঁরা যেন প্রশাসনকে পূর্ণ সহযোগিতা করেন।” একই সঙ্গে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকেও বিক্ষোভকারীদের সংযম বজায় রাখা, শান্তি ও জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং কোনও ধরনের গুজব বা ভুল তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য কড়া সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টি তিনটি মূল দাবি নিয়ে এই বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। তাঁদের প্রথম দাবি, অবিলম্বে আন্দোলনকারী সোনমের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, নিট (NEET) পরীক্ষার বিতর্কের দায়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের দ্রুত পদত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে। এবং তৃতীয়ত, যে সমস্ত নিট পরীক্ষার্থী সম্প্রতি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সরকারের সঙ্গে এই বৈঠকের পর আন্দোলনকারীরা ধর্না প্রত্যাহার করেন কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে ওয়াকিবহাল মহলের।






