রবীন্দ্রসদনে সংবর্ধিত তসলিমা নাসরিন, “বাক স্বাধীনতা সুরক্ষিত” বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লেখিকাকে নাগরিক সংবর্ধনা জানান এবং রাজ্যবাসীর পক্ষে তাঁর হাতে সাহিত্যসম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি ও তসলিমার ছবি খোদাই করা একটি স্মারক রূপোর মেডেল তুলে দেন।
Truth of Bengal: দীর্ঘ দু’দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শনিসন্ধ্যায় কলকাতার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রবীন্দ্রসদনে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হলো বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে। ‘সেকুলার মিশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তসলিমাকে ঘিরে রবীন্দ্রসদনে কড়া নিরাপত্তার বলয় গড়ে তোলা হয়। তুঁতে বালুচরী শাড়ি ও লাল টিপে সুসজ্জিত তসলিমা নাসরিন মঞ্চে পা রাখতেই সাংস্কৃতিক মহলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লেখিকাকে নাগরিক সংবর্ধনা জানান এবং রাজ্যবাসীর পক্ষে তাঁর হাতে সাহিত্যসম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি ও তসলিমার ছবি খোদাই করা একটি স্মারক রূপোর মেডেল তুলে দেন। মঞ্চ থেকে তসলিমাকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব এই রাজ্য সরকারের। আপনি যতবার ইচ্ছা, যখন ইচ্ছা এখানে আসতে পারেন এবং নিজের বক্তব্য রাখতে পারেন। আজকের শৃঙ্খলমুক্ত ও বাঁধনমুক্ত বাংলায় প্রত্যেকের আসার এবং বাক স্বাধীনতার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে।”
বিগত দিনের দমনপীড়নের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী আরও যোগ করেন, রাজ্যে ধমক-চমকের পরিবেশ এখন অতীত। বর্তমান নতুন সরকারের আমলে যে বাংলার গণতন্ত্র, সংবিধান, মৌলিক অধিকার ও বাক স্বাধীনতা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত—আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত তারই প্রমাণ দেয়। দীর্ঘ সময় পর কলকাতায় ফিরে লেখিকার মুখেও ফুটে ওঠে এক গভীর প্রশান্তির ছাপ।






