জনতার বিপুল সাড়ায় বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের সময়সীমা, ফলতা থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ফলতায় জনকল্যাণ শিবিরে গিয়ে এই ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
Truth of Bengal: রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবিরে সাধারণ মানুষের বিপুল সাড়া। কোথাও দীর্ঘ লাইন, কোথাও সকাল থেকেই ভিড় আবেদনকারীদের। সেই পরিস্থিতি মাথায় রেখে শিবিরের সময়সীমা আরও একদিন বাড়ানোর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ফলতার জনকল্যাণ শিবিরে গিয়ে তিনি জানান, বুধবার নয়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে এই শিবির।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ফলতার জনকল্যাণ শিবিরে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে উপস্থিত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শিবিরে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। শুভেন্দু বলেন, “এত কম সময়ে রাজ্যের প্রান্তিক এলাকায় শিবির করা যায়নি। লম্বা লাইন রয়েছে শিবিরগুলিতে। আপনারা আবেদন করুন। সরকার সাহায্য করবে। জনসাধারণের কথা মাথায় রেখে আগামীকাল পর্যন্ত এই শিবির চলবে।”
মুখ্যমন্ত্রী জানান, জনকল্যাণ শিবিরে আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা, সূর্য ঘর যোজনা-সহ মোট ৫৪টি জনমুখী প্রকল্পের জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে যোগ্য মানুষদের কাছে সরাসরি পৌঁছয়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য। শুভেন্দু বলেন, “সরকার পরিষেবা দিতে বদ্ধপরিকর। আপনারা আবেদন করুন। বিন্দুমাত্র বিচলিত হবেন না। যোগ্য প্রাপকরা সাহায্য পাবেন।” উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে প্রায় ১১০০টি জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে। প্রথমে ১৫ জুন থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চালানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে মানুষের ভিড় ও আবেদনকারীদের আগ্রহ দেখে সময়সীমা আরও একদিন বাড়ানো হল। ফলে বৃহস্পতিবারও বিভিন্ন শিবিরে আবেদন জমা নেওয়া হবে।
ফলতার শিবির থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার নিয়ম নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, যাঁদের সন্তান সরকারি বা সরকার পোষিত স্কুলে পড়েন, তাঁরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন। বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্কুলের সরকারি অনুমোদন থাকলে মিলবে ৩ হাজার টাকা। অনুমোদন না থাকলে সেই সুবিধা মিলবে না। এই নিয়মের কারণ ব্যাখ্যা করে শুভেন্দু অধিকারী জানান, সরকার চায় প্রকৃত প্রাপকরাই এই অনুদান পান। প্রকল্পের সুবিধা যাতে সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছয় এবং কোনওরকম অনিয়ম না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই কড়াকড়ি বলে জানান তিনি। জনকল্যাণ শিবিরের সময়সীমা বাড়ানোয় স্বস্তি পেয়েছেন বহু আবেদনকারী। প্রশাসনের দাবি, নথি যাচাইয়ের পর ধাপে ধাপে যোগ্য প্রাপকদের প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। ফলতা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা রাজ্যজুড়ে শিবিরগুলির কাজকে আরও গতি দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।






