স্বজনহারাদের পাশে দাঁড়াতে হাথরসে রাহুল, যোগী সরকারের কাছে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণের আর্জি
Rahul Gandhi stands by the families of the Hathras victims

The Truth of Bengal: হাথরস-কাণ্ডে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন সংসদের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। সেখানে দাঁড়িয়ে উত্তর প্রদেশের যোগী সরকারের কাছে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আর্জি জানালেন তিনি। শুক্রবার সকালে হাথরাসে এসে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তিনি আশ্বাস দেন সবরকম ভাবে স্বজনহারাদের পাশে থাকবে তাঁর দল।
হাথরসে স্বজনহারাদের সঙ্গে কথা বলার পর রাহুল গান্ধি বলেন, ‘এটা একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। দুর্ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। কিন্তু, প্রশাসনের দিক থেকে অনেক খামতি রয়েছে গিয়েছে। স্বজনহারারা আমাকে জানিয়েছেন, পুলিশ-প্রশাসনের তরফে সেখানে গাফিলতি ছিল। এদের বেশিভাগই গরিব পরিবারের। তাই ওদের জন্য বেশি আর্থিক সাহায্য করা উচিত প্রশাসনের। আমি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে অনুরোধ করব, খোলা মনে অর্থসাহায্য করুন।‘
রাহুল শুক্রবার সকালে প্রথম আসেন আলিগড়ের নভিপুর খুর্দ এবং পিলাখনা গ্রামে। পদপিষ্ট হয়ে মৃত শান্তি দেবী ও মঞ্জু দেবীর পরিবারের সঙ্গে প্রথমে দেখে করেন তিনি। বাড়ির উঠোনে বসে তিনি পরিবারের সদশ্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর হাথরসের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। আরও কয়েকটি স্বজনহারা পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন রাহুল গান্ধি।
এর আগে ২০২০ সালে হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডের পর সেখানে গিয়েছিলেন রাহুল। তবে সেবার পথে বারবার তাঁকে বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। এদিন আর আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়নি। শুক্রবার দিল্লি থেকে প্রথমে তিনি যান আলিগড়। হাথরাস কাণ্ডে মৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আলিগড়ের বাসিন্দা ছিলেন। সেখানে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। আশ্বাস দেন পাশে দাঁড়ানোর। তার পর চলে যান হাথরাসে। সেখানকার স্বজনহারাদের সঙ্গেও কথা বলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর দলের তরফে পাশে থাকার সব রকমের আশ্বাস দেন তিনি।
উল্লেখ্য, হাথরসে এই ভোলে বাবাকে কেন্দ্র করেই আয়োজিত অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গড়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। তবে এফআইআর-এ নাম নেই ভোলে বাবার। ঘটনার পর থেকে তিনি বেপাত্তা।






