Pak Drone: সীমান্তে ফের উত্তাপ! ভারতীয় সেনার গতিবিধি পর্যবেক্ষণে অন্তত ৬টি পাক ড্রোন, বাড়ল উদ্বেগ
প্রাথমিক অনুমান, ভারতীয় সেনার গতিবিধি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যেই পাকিস্তানের সেনা এই ড্রোনগুলি পাঠিয়েছে।
Truth of Bengal: জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্ত এলাকায় ফের পাক ড্রোনের উপস্থিতি। সেনা সূত্রে খবর, রবিবার রাতে বালাকোট, লাঙ্গোট, গুরসাই নাল্লা ও মান্ধের সেক্টরে অন্তত আধ ডজন ড্রোন উড়তে দেখা গিয়েছে। এরপর সোমবার ভোরের আলো ফুটতেই সীমান্ত জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু করেছেন জওয়ানরা। প্রাথমিক অনুমান, ভারতীয় সেনার গতিবিধি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যেই পাকিস্তানের সেনা এই ড্রোনগুলি পাঠিয়েছে। লক্ষ্য করা গিয়েছে, কয়েক মিনিট আকাশে ঘোরাফেরা করার পরেই পাকিস্তান সীমান্তে ফিরে যায় ড্রোনগুলি। পাশাপাশি সেনার সন্দেহ, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্রশস্ত্র বা মাদক চোরাচালানের চেষ্টাও হতে পারে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তৃত তল্লাশি (Pak Drone)।
আরও পড়ুনঃ CAFA Cup: দলগত সংহতির ওপর ভর করেই কাফা কাপে খেলবে ভারত : খালিদ জামিল
বলা বাহুল্য, এই প্রথম নয় গত বছরের ফেব্রুয়ারিতেও এমন ঘটনা সামনে এসেছিল। পাকিস্তানের দিক থেকে একটি ড্রোন উড়ে আসতে দেখা গিয়েছিল। তার পরে ভারতীয় ভূখণ্ডে বেশ কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় তথ্য জোগাড় করতে ৩ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ। উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে পহেলগাঁওতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় পর্যটকদের মৃত্যু ও পরবর্তী সময়ে সেনার পালটা অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর থেকেই সীমান্তে উত্তেজনা তীব্র। এরই মধ্যে ড্রোনের উপস্থিতি উদ্বেগ আরও বাড়াল। সেনাকর্তারা মনে করছেন, এ ঘটনা ভবিষ্যতে অনুপ্রবেশের ইঙ্গিতও হতে পারে।বলা বাহুল্য সপ্তাহখানেক আগে কাশ্মীরের উরি সেক্টরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে একদল জঙ্গি (Pak Drone)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
জওয়ানদের তৎপরতায় সেই চেষ্টা ভেস্তে যায়। গোলাগুলিতে এক সেনা শহিদ হন।পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন ফোর্সের ছত্রচ্ছায়াতেই ওই অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছিল বলে সেনা সূত্রে জানা গিয়েছিল। এই আবহে রবিবারই গুজরাটের কচ্ছ এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বিএসএফ ও উপকূলরক্ষী বাহিনী ১৫ জন পাকিস্তানি জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা, প্রচুর জ্বালানি ও রসদ। সেনার ধারণা, বহুদিন ধরেই নৌকাটি ভারতীয় জলসীমায় ঘোরাফেরা করছিল। সব মিলিয়ে, সীমান্তে পাক ড্রোনের গতিবিধি নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে সেনার কাছে। তাই দফায় দফায় চলছে নজরদারি (Pak Drone)।






