Medical Negligence : আঙুলের বদলে অস্ত্রোপচার হল জিভের, সাসপেন্ড করা হল কেরালার সরকারি চিকিৎসককে
Medical Negligence: Tongue surgery instead of finger, Kerala government doctor suspended

The Truth Of Bengal : ভারতে ভুল চিকিৎসার ঘটনা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। এবার চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার শিকার হলো চার বছর বয়সী এক শিশু। কি বা খারাপ ঘটনাটি ঘটেছে কেরালার একটি সরকারি মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল ও ছড়িয়েছে শিশুটির পরিবারসহ গোটা হাসপাতাল চত্বরে।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কেরালার একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি মেয়ের অপারেশন ছিল। এরপর চলছিল তার অপারেশন। কিন্তু চিকিৎসক অস্ত্রোপচারের পর বাইরে বেরিয়ে আসতেই হতবাক সকলে। বোঝা যায় যে অপারেশন টি ভুল অংশে করা হয়েছে।
মেয়েটির পরিবার জানিয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর শিশুটির মুখে তুলো ভর্তি থাকা অবস্থায় এই ত্রুটিটি প্রকাশ্যে আসে। এরপর নিজেদের মেয়েকে আরো কাছ থেকে দেখার পরে তারা দেখেন যে অস্ত্রোপচারটি তার হাতের আঙুলে নয় করা হয়েছিল তার জিভে। আর এই ঘটনা জানাজারী হতে কেরালায় আলোড়নের সৃষ্টি হয়। রাজ্য সরকার পদক্ষেপ নিতে শুরু করেন। তার সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর বেজন জনসনকে স্থগিত করে তদন্ত মুলতবি রাখা হয়।
চিকিৎসা শিক্ষা পরিচালকের রিপোর্ট পাওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীনা জর্জ চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। একটি সরকারী বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে মন্ত্রী আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জর্জ হাসপাতালগুলিকে প্রোটোকলগুলি সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয় তা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, মেয়েটির পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ডাঃ জনসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
কোঝিকোড মেডিকেল কলেজ থানার একজন কর্মকর্তা জানান, “ডাক্তারের বিরুদ্ধে আইপিসি ধারা 336 (অন্যের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন) এবং 337 এর অধীনে মামলা করা হয়েছে।” শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, “শিশুটির জিহ্বায় কোন সমস্যা ছিল না। ভুল অস্ত্রোপচারের ফলে যদি পরবর্তীকালে শিশুটি র কোনরকম কোন ক্ষতি হয় তাহলে তার দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।” পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, ” হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের বলেছে যে তাদের ভুল হয়েছে। একই তারিখে দুটি শিশুর অস্ত্রপাচারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর সেই থেকেই হয়তো এই রকমের ভুলটি হয়েছে।”






