নাগপুরে বিজেপির হার, জোটসঙ্গী শিবসেনার ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
বিধান পরিষদের নির্বাচন আপাতদৃষ্টিতে জাতীয় রাজনীতিতে তেমন গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, চার রাজ্যের ২৮টি আসনের ফল নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
Truth of Bengal: মহারাষ্ট্রের নাগপুরে নিজেদের শক্ত ঘাঁটিতেই কংগ্রেসের কাছে হারতে হয়েছে বিজেপিকে। এই পরাজয়ের কারণ খতিয়ে দেখতে এবার আত্মসমীক্ষায় নামছে গেরুয়া শিবির। ভোটের প্রচারে জোটসঙ্গীরা কতটা সক্রিয় ছিলেন, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। প্রশ্ন উঠছে, জোটে থেকেও কি শিবসেনা বিজেপির প্রার্থীর হয়ে যথেষ্ট কাজ করেনি?
বিধান পরিষদের নির্বাচন আপাতদৃষ্টিতে জাতীয় রাজনীতিতে তেমন গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, চার রাজ্যের ২৮টি আসনের ফল নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বুধবার ভোটগণনা চলাকালীন কংগ্রেসের আসন জয়ের খাতা না খোলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির একাধিক নেতা কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেন। মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তোলেন, ব্যালটে ভোট হলেও কংগ্রেস কত আসন জিতেছে?
কিন্তু রাত পোহাতেই বদলে যায় ছবিটা। নাগপুরে বিজেপির সুধাকর কোলেকে ৩,২৭১ ভোটে হারিয়ে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিৎ ওয়াঞ্জারি। এরপর কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে করা পোস্ট মুছে দেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস।
মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে জানিয়েছেন, দলীয় কর্মীরা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোথাও খামতি থেকে গিয়েছে। সেই কারণেই হার নিয়ে আত্মসমীক্ষা করা হবে। জোটের কোনও শরিক প্রার্থীর হয়ে যথাযথ কাজ করেছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।
উত্তরপ্রদেশেও বিজেপির ফল আশানুরূপ হয়নি। ১১টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৬টিতে, বাকি ৫টি পেয়েছে সমাজবাদী পার্টি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কেন্দ্র বারাণসীর দু’টি আসনেই জয় পেয়েছে সপা।
বিহারের ৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৩টিতে। নির্দল ও বিরোধীদের দখলে গিয়েছে ৪টি আসন। তবে কর্নাটকে স্বস্তি পেয়েছে এনডিএ। সেখানে বিধান পরিষদের চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জোট।






