Truth Of Bengal: রহস্য, রোমাঞ্চের প্রতি বাঙালির চিরন্তন আকর্ষণ। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট চরিত্র সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সির জনপ্রিয়তা ৮৩ বছর পরেও সামান্যও টাল খায়নি। এবছর সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সিকে দমদম পার্ক তরুণ সংঘের পুজোর (Durga Pujo 2025) মণ্ডপে হাজির করছেন শিল্পী অনির্বাণ দাস। ৪০তম বছরে তরুণ সংঘের ভাবনা হল ‘সত্যান্বেষী’। বাংলা সাহিত্যর জগৎ থেকে ব্যোমকেশ কখন যেন আমাদের প্রবাহমান জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠেছেন। পরম আত্মীয় হয়ে উঠেছেন। ব্যোমকেশ বক্সি শুধু গোয়েন্দা নন, ডিটেকটিভও নন। বেশভূষায়, খাদ্যাভ্যাসে, রুচিতে আদ্যোপান্ত বাঙালি।
আরও পড়ুনঃ Badshah Injury: আসলে কী হয়েছে বাদশার? চোখে আঘাতের ছবি পোস্ট করে রহস্য বাড়ালেন গায়ক!
তরুণ সংঘের ভাবনা প্রসঙ্গে শিল্পী অনির্বাণ জানান, ‘সত্যান্বেষীর কাজ হল অপরাধ ঘিরে থাকা অসত্যর বলয় ভেদ করে

বিপজ্জনক, অন্ধকারাচ্ছন্ন পথ পেরিয়ে সত্যের দিকে যাওয়া। স্বভাবে আটপৌরে, সংসারীও হলেও ব্যোমকেশ সত্যানুসন্ধানী। কোনো অপরাধ তাঁর কাছে নিছক ‘কেস’ নয়, তা যেন ‘আলোয় ঢাকা অন্ধকার’। (Durga Pujo 2025)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
অপরাধীকে ধরা বা শাস্তি দেওয়ার থেকেও তাঁর কাছে মুখ্য সত্যের কেন্দ্রে পৌঁছনো। সেটাই ব্যোমকেশকে অন্যান্য গোয়েন্দার ভিড়ে অনন্য করে তুলেছে। মা দুর্গা স্বয়ং সত্যস্বরূপা। আর ব্যোমকেশ নামের অর্থ স্বয়ম্ভূ মহাদেব। তাই কি তিনি স্ব-ভাবে সত্যান্বেষী? সত্যস্বরূপা মায়ের আরাধনায় সত্যান্বেষী ব্যোমকেশের উপস্থিতি মানে, যাকে বলে রাজযোটক।’ (Durga Pujo 2025)





