‘নন্দীগ্রামে এবার ভাঙবে পুরোনো সব রেকর্ড!’ উপনির্বাচন শেষেই দাবি শুভেন্দুর
রেজিনগর নিয়েও সমান আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী
Truth of Bengal: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই উপনির্বাচনেই বিজেপি জিতবে বলে আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভোটগ্রহণ শেষে তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের থেকেও এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর নিজের জয়ের ব্যবধানের তুলনায় পাঁচ থেকে ছ’গুণ বেশি মার্জিনে জয়ী হতে পারেন বলেও পূর্বাভাস দিয়েছেন তিনি।রেজিনগর নিয়েও সমান আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি ভোট পেতে পারেন। সন্তোষজনক ব্যবধানে ওই আসনও বিজেপির দখলে আসবে বলে মনে করছেন শুভেন্দু। ভোট শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু দাবি করেন, রেজিনগরে সংখ্যালঘু মহিলা ও যুব ভোটারদের একটি বড় অংশ বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। অন্যদিকে প্রবীণ সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশ কংগ্রেস ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির দিকে গিয়েছেন বলে তাঁর অনুমান।
তৃণমূল ও বামেদেরও এদিন কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “নন্দীগ্রামে সিপিআই এক-দেড় হাজার ভোট পাবে কি না সন্দেহ আছে। রেজিনগরে সিপিএম নোটার নিচেও থাকতে পারে। দুই জায়গাতেই বামেদের কোনও অস্তিত্ব ছিল না। একই অবস্থা তৃণমূলেরও।” সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে শুভেন্দুর আরও দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুসলিমরা সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হবেন—এমন প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে অন্নপূর্ণা যোজনার ১ কোটি ৫৮ লক্ষ উপভোক্তার মধ্যে প্রায় ২৪ লক্ষ মুসলিম রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের অন্নপূর্ণা প্রকল্পের সুবিধাভোগী মুসলিম মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। আবাস যোজনার সংখ্যালঘু উপভোক্তাদের মধ্যেও বিজেপির সমর্থন বেড়েছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এটাই ছিল প্রথম উপনির্বাচন। মঙ্গলবার সকাল থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুই কেন্দ্রেই ভোটদানের হার প্রায় ৮০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। শাসকদলের দাবি, ভোটগ্রহণ মূলত শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবের মেজাজেই হয়েছে। যদিও বিরোধীদের একাংশ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে রিগিং এবং ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে। বিজেপি সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।






