সন্ধ্যায় হঠাৎই দাউদাউ শিখা! কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে আকাশ, আগুনের গ্রাসে সব হারিয়ে দিশেহারা নোনাডাঙার বস্তিবাসী
শীতের হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মাঝেই মাথার ওপর থেকে ছাদ হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে হয়েছে বহু মানুষকে।
Truth Of Bengal: উত্তরোত্তর বাড়ছে কলকাতার আগুনের আতঙ্ক। বুধবার সন্ধ্যায় আনন্দপুর সংলগ্ন নোনাডাঙার একটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। ঝুপড়িগুলিতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় মুহূর্তে দিশেহারা হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। শীতের হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মাঝেই মাথার ওপর থেকে ছাদ হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে হয়েছে বহু মানুষকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট নাগাদ বস্তির একটি ঝুপড়ি থেকে প্রথম ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত পাশের ঘরগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ২টি ইঞ্জিন। তবে আগুনের ভয়াবহতা বাড়ায় পরে আরও ৫টি ইঞ্জিন তলব করা হয়। মোট ৭টি ইঞ্জিনের সহায়তায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় অগ্নিনির্বাপণ করতে বেশ বেগ পেতে হয়।
আগুনের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে দমকলের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই এই বিপত্তি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আগুনের মধ্যে বেশ কয়েকটি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দাউদাউ আগুনে সব হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বস্তিবাসী। পরনের কাপড় ছাড়া ঘর থেকে আর কিছুই রক্ষা করতে পারেননি তাঁরা। শীতের রাতে এই বিপুল পরিমাণ মানুষ কোথায় আশ্রয় পাবেন, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।






