Bangla Jago Desk: সুমন মন্ডল: ঘাটাল: চন্দ্রকোনার মল্লেশ্বরপুর ‘আমরা সবাই দুর্গাপূজা কমিটি’ র পুজো। চন্দ্রকোনার প্রাচীনতম ঐতিহ্যমন্ডিত দেবী শ্রীশ্রী মল্লেশ্বরী মাতার পুজো। দুর্গাপুজোর সমস্ত আচারবিধি ও রীতিনীতি মেনে ১৬৪ বছর ধরে পালিত হয়ে আসছে এই পুজো। (Temple Heritage)
আরও পড়ুনঃ হিসাব দেওয়ার ক্ষমতা রাখি, আয়ের উৎস নিয়ে বিরোধীদের জবাব পিকের
এই পুজোর বিশেষত্ব হল, কোন প্রতিমা মন্দিরের গর্ভ গৃহে থাকেনা। তার পরিবর্তে দুটি জাগ্রদ্বীপ বসানো (Temple Heritage) আছে। একটি শিব অপরটি দুর্গার রূপে। এভাবেই পুজিত হন মা। আগে এই মন্দিরে ১৮ ভূজা সোনার শিব দুর্গার মূর্তি ছিল। কথিত আছে, কালাপাহাড়ে আক্রমণের সময়, পাহাড়ের মুখ দেখবেন না বলে নিজেকে পাষাণ চাপা দিয়ে দেন। এখনও সেই প্রস্তরখন্ড দেখা যায়। ওই প্রস্তরখন্ডকে ‘মা’ হিসাবে কল্পনা করে এবং দুটি জাগপ্রদীপের একটিকে শিব অপরটিকে দুর্গার রূপে, দীর্ঘদিন পুজো করে আসছে মল্লেশ্বরপুর আমরা সবাই দুর্গোৎসব কমিটি।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
এখানে ২৫০ থেকে ৩০০ বছর আগে কামান ফাটানো হতো, সেই কামান মন্দিরের সামনেই সুসজ্জিত অবস্থায় রাখা হয়েছে। বর্তমানে সেই কামান ফাটানোর রীতি নেই তার পিছনেও রয়েছে ইতিহাস। বলা হয়, অশুচ অবস্থায় কামানে আগুন দেওয়ার ফলে সেই কামান ফাটেনি। যিনি কামান ফাটাতেন তিনি গোলার সামনে দেখতে যান যে কি ভুল হয়েছে। ভিতরে বারুদ ঠিকঠাক দেওয়া হয়েছে কিনা। সেই সময় আগুন ধরে যায় এবং কামানটি ফাটে । এই ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। তখন থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এই কামান ফাটানো। (Temple Heritage)
চন্দ্রকোনার প্রাচীনতম ঐতিহ্যমন্ডিত মন্দির মল্লেশ্বরপুর শ্রীশ্রী মল্লেশ্বরী মন্দির ১২৩৮ বঙ্গাব্দের প্রতিষ্ঠিত হয়। কমিটির উদ্যোক্তারা জানান, প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরনো এই মন্দির। নবমীর দিন এখানে মহিষ বলির প্রচলন আছে। আজও সেই বলি হয়। সেদিন মন্ডপে এলাকার বহু মানুষ ভিড় জমান। যেহেতু এখানে কোন মূর্তি নেই তাই এখানের বিশেষত্ব মা মহিষ বলি আগে ফুল দেন না। এখানে মন্দিরের ওপর শঙ্খচিলের আগমন ঘটে, বহু যুগ থেকে সেটাই ঘটে আসছে আজও ঘটে চলেছে। (Temple Heritage)






