Bangalore: পণের দাবিতে ফের বলি গৃহবধূ, বেঙ্গালুরুতে ইঞ্জিনিয়ারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার
জানা গিয়েছে, শিল্পার দেহ উদ্ধার হয় তাঁর বাড়ি থেকে। এরপর মৃতার বাবা-মা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন।
Truth of Bengal: নয়ডার নিক্কি ভাটির মৃত্যুর ঘটনায় বাড়ছে রহস্য। অভিযোগ উঠেছে পণের জন্য তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পুড়িয়ে মেরেছে। এই আবহেই ফের গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য। এবার দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর সুদ্দাগুন্তেপাল্যায় থেকে উদ্ধার হল এক ইঞ্জিনিয়ারের ঝুলন্ত দেহ। মৃতার নাম শিল্পা (২৭)। অভিযোগ, পণের দাবিতে এবং গায়ের রং নিয়ে কটূক্তির জেরে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন তিনি (Bangalore)।
আরও পড়ুনঃ Liquor blockade: অবৈধ মদ বন্ধের দাবিতে রাস্তা অবরোধ আড়সার সেনাবনায়
জানা গিয়েছে, শিল্পার দেহ উদ্ধার হয় তাঁর বাড়ি থেকে। এরপর মৃতার বাবা-মা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে শিল্পার স্বামী প্রবীণ এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পণ-জনিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। শিল্পার পরিবারের দাবি, বিয়ের সময় নগদ ১৫ লক্ষ টাকা, ১৫০ গ্রাম সোনার গয়না এবং অন্যান্য সামগ্রী দাবি করেছিল প্রবীণের পরিবার। পরে ব্যবসার জন্য আরও ৫ লক্ষ টাকাও দেওয়া হয়। কিন্তু তবুও নির্যাতন কমেনি। উল্টে শিল্পার গায়ের রং শ্যামলা হওয়ায় নিয়মিত কটূক্তি করতেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন (Bangalore)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
শাশুড়ির হুমকি ছিল—শিল্পাকে ছেড়ে দিলে প্রবীণের আবার বিয়ে দেবেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক শিল্পা বিয়ের আগে ইনফোসিসে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। আড়াই বছর আগে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার প্রবীণের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের দেড় বছরের এক সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর চাকরি ছেড়ে দেন শিল্পা। প্রবীণও ওরাক্যালের চাকরি ছেড়ে খাবারের ব্যবসা শুরু করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সুদ্দাগুন্তেপাল্যায় থানার পুলিশ। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শিল্পার স্বামী প্রবীণকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত (Bangalore)।






