Malegaon blast: মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলা: আদালতের রায় ঘিরে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি
প্রজ্ঞা ঠাকুর দাবি করেছেন যে মিথ্যা অভিযোগে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছিল এবং তিনি নির্দোষ ছিলেন।
Truth of Bengal: এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ২০০৮ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ড মামলায় এনআইএ বিশেষ আদালতে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর সহ ৭ জনের মুক্তি পাওয়া। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। প্রজ্ঞা ঠাকুর দাবি করেছেন যে মিথ্যা অভিযোগে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছিল এবং তিনি নির্দোষ ছিলেন। যদিও এই রায়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন এমিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।( Malegaon blast)
[আরও পড়ুনঃ Pond Fatality: শিলিগুড়ি মহকুমার কদুভিটায় পুকুর থেকে উদ্ধার এক ব্যক্তির দেহ , এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য]
২০০৮ সালে মালেগাঁও শহরের এক মসজিদ লাগোয়া কবরস্থানে মোটরবাইকে রাখা দুটি বোমা থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়, যার জেরে প্রাণ হারান ৬ জন এবং মৃত্যু হয় ১০০ জনের বেশির। এরপর তদন্ত করতে নেমে জানা যায় মোটরবাইকটি ছিল প্রজ্ঞা ঠাকুরের নামে। এরপর একেক করে তাঁকে সহ ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১১ সালে এনআইএ তদন্তের দায়িত্ব নিলেও বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৮ সালে। তবে প্রমাণের অভাবে এনআইএ বিশেষ আদালত বেকসুর খালাস করে সকলকে।( Malegaon blast)
শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই থেকে রেহাই পেয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন প্রজ্ঞা ঠাকুর। তাঁর বক্তব্য, তিনি নির্দোষ ছিলেন। প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ বলেন, “সন্ন্যাসীর জীবন কাটাতাম। আমার জীবন নষ্ট করে দিয়েছে এই মামলা। মিথ্যে অভিযোগ তুলে আমাকে ফাঁসানো হয়েছিল। যারা অপরাধী, তাদের শাস্তি দেবেন ঈশ্বর।”( Malegaon blast)
তবে অন্যদিকে এই রায়ে বেশ ক্ষুব্ধ এমিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তিনি বলেন, “হতাশাজনক এই রায়। টার্গেট করা হয়েছিল নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষদের। এই বেকসুর খালাস করার জন্য দায়ী ইচ্ছাকৃত করা নিম্নমানের তদন্ত এবং সরকারি কৌশল।”






