US-Iran: অস্বস্তি বাড়ল ট্রাম্প প্রশাসনের! ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ধ্বংসই হয়নি?
The Iran-Israel conflict intensifies as US forces strike Iranian nuclear sites, prompting global concern.
Truth Of Bengal: বর্তমানে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ হইচই ফেলে দিয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে (US-Iran)। বলা ভালো, গোটা বিশ্ব দু’ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। কেউ নিচ্ছে ইরানের পক্ষ আবার কেউ ইসরাইলের। সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দুই দেশ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও তার কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় হামলা পর্ব, যা অস্বস্তিতে ফেলেছে ট্রাম্প প্রশাসনকে।
[আরও পড়ুন: Pakistan Terror: TTP-র গুলিতে নিহত অভিনন্দনকে আটককারী মইজ আব্বাস!]
সেই অস্বস্তি আরো দ্বিগুণ হলো। ঘটনার সূত্রপাত, গত শনিবার থেকে। দুই দেশের সংঘাতে প্রবেশ করেন ট্রাম্পের সেনাবাহিনী। হামলার চালানো হয় ইরানের তিন গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক কেন্দ্রে। এরপরই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে। ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানান যে শান্তিস্থাপন না হলে আরো ভয়াবহ হামলা করা হবে। পাশাপাশি, অভিনন্দন জানান নিজের সেনাকে এবং দাবি করেন যে আমেরিকা যা করেছে, গোটা বিশ্ব তা কল্পনা করতে পারেনি। ইসরাইলও আমেরিকাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দাবি করে যে ট্রাম্প ইতিহাস গড়েছে(US-Iran)।
কিন্তু সিএনএনের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী মার্কিন হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি ইরানের তিন পারমানবিক কেন্দ্র। সেই রিপোর্টে নাকি বলা হয়েছে, খামেনেইদের পারমাণবিক কর্মসূচি এই হামলায় পিছিয়ে গেলেও কেন্দ্রগুলি ধ্বংস হয়নি এবং মার্কিন হামলার আগেই ইউরেনিয়াম একাধিক স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে হামলায় ক্ষতি হয়নি। এখানেই শেষ নয়, এক আধিকারিক নাকি সিএনএনকে এই বিষয়ে জানিয়েওছেন বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি দাবি করেছে(US-Iran)।
FB POST: Child Casualty: কালিগঞ্জ নাবালিকা মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার আরও এক
যদিও হোয়াইট হাউস এই রিপোর্ট সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেছে। একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটের তরফ থেকে। তাতে বলা হয়েছে, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অপমান করার জন্য এই মিথ্যা রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। আমাদের যোদ্ধা পাইলটরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার কাজটি একেবারে সাহসের সঙ্গে এবং নির্ভুলভাবে করেছেন। তাদের বদনাম করার চেষ্টা করা হয়েছে এই রিপোর্টের মাধ্যমে। টার্গেটে যখন ৩০ হাজার পাউন্ডের ১৪টি বোমা পড়ে, তখন কি হয় সেটা সকলেই জানে।” এবার দেখার এই বিষয় নিয়ে ইরান কি বলে। পরবর্তী অধ্যায় কি হয় সেটাই দেখার(US-Iran)।






