West Bengal Weather: দক্ষিণবঙ্গে শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং! পারদ পতনের সঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কতা
বুধবারের পর থেকে তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
Truth of Bengal: রাজ্যে ধীরে ধীরে জাঁকিয়ে পড়ছে শীত। উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঠান্ডার অনুভূতি স্পষ্টভাবে বাড়ছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, বড়দিনের আগেই রাজ্যে ফের এক দফা পারদ পতনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বুধবারের পর থেকে তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে। কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে সঙ্গে ঘন কুয়াশার আশঙ্কায় বিভিন্ন জেলায় সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রায় তেমন বড় পরিবর্তন না হলেও ২৪ ডিসেম্বর থেকে শীতের দাপট আরও বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বড়দিনের সময় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস। বর্তমানে শহর ও সংলগ্ন এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ থেকে ২৪ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও রাতের পারদ প্রায় ১৫ ডিগ্রির কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে। তবে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। ওই সব এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে নামতে পারে।
ঠান্ডার পাশাপাশি কুয়াশাই এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় কুয়াশার দাপট সবচেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ভোর ও রাতের দিকে কিছু এলাকায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারেরও নিচে নেমে যেতে পারে, যা যান চলাচলের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। যদিও বেলা গড়ালে কুয়াশা কাটিয়ে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও শীতের প্রভাব বজায় থাকবে। চলতি সপ্তাহে পাহাড়ি জেলাগুলিতে তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য অঞ্চলে পারদ ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গের উপরের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে বলে পূর্বাভাস। অন্যদিকে মালদা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের ইঙ্গিত, আগামী সপ্তাহ থেকে গোটা রাজ্য জুড়েই শীতের দাপট আরও তীব্র হতে পারে।






