
The Truth of Bengal: কখনও…জঙ্গলে খাবার না পেয়ে কখনও মানুষের অত্যাচারে অরণ্যের আবহ ছেড়ে লোকালয়ে বেরিয়ে আসে হাতির দল। যার জন্য অকালে প্রাণ দিতে হয় বনাঞ্চলের মানুষকে। এমনকি জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার মানুষও উন্মত্ত হাতির হামলার শিকার হয়।এই প্রবণতা প্রায়শই দেখা যায় জঙ্গলমহল বা উত্তরবঙ্গের বনভূমিতে।এরমাঝে ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রামের চাঁদাবিলা রেঞ্জের দেউলবাড়ে বেপরোয়া হাতির হামলায় মৃত্যু হয় ২জনের।মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে একটি হাতির দল নয়াগ্ৰামের দেউলবাড় এলাকায় সুবর্ণরেখা নদী পার হয়। কিছুক্ষণ পরে গ্রামবাসীদের নজরে আসে নদীর পাড়ে একটি হাতির বাচ্চা মরে পড়ে আছে।
খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রচুর মানুষ মৃত হাতির বাচ্চা দেখতে জড়ো হন। কিন্তু পাশে যেতেই দেখা যায় কিছুটা দুরে আরও একটি হাতি রয়েছে বাচ্চা হাতিটিকে গার্ড করার জন্য। কিছু বুঝে উঠার আগেই তাড়া করে আসে হাতিটি। সঙ্গে সঙ্গে এলোপাথাড়ি ছুটতে শুরু করে সবাই।সেসময় উন্মত্ত একটি হাতি দুজনকে পায়ে পিষে দেয়।মৃত্যু হয় শশধর মাহাত এবং আনন্দ জানা নামে দুজন স্থানীয় বাসিন্দার। হা তির হানায় মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী। ঝাড়গ্রামে স্বজনহারাদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
আর যাতে কারুর না মৃত্যু হয় সেজন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে লাগাতার প্রচারে নেমেছে বনদফতর।বনাঞ্চলের মানুষকে নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য প্রচার বাড়ানো হচ্ছে বলে বনদফতরের কর্তা থেকে স্থানীয় মানুষ সকলেই বলছেন।তাঁরা চাইছেন, অকাল মৃত্যুর কালো ছায়া সরিয়ে যাতে জঙ্গলমহলে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ আনাগোনা বজায় থাকে সেদিকেও লক্ষ্য রাখছেন সচেতন নাগরিকরাও।মৃত দুজনের বাড়ি বাছুরখোয়া এলাকায়। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলিও দ্রুত মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের প্রচার আর নাগরিকদের সজাগ গতিবিধি মৃত্যুর সংখ্যা সীমিত রাখতে সাহায্য করবে বলে অনেকেই মনে করছেন।
Free Access






