“ছায়ার সঙ্গে লড়াই”, নির্বাচনের আগে কর্মীদের সতর্ক করলেন তৃণমূলের প্রবীণ বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়
জেলা জুড়ে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞে জেলার কর্মীরা তৎপর হয়ে উঠেছেন।
Truth Of Bengal: তৃণমূল কংগ্রেসের পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি ও প্রবীণ বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের কর্মীদের সতর্ক করেছেন। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চে তৃণমূলের শহর কমিটির বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমরা এখন ছায়ার সঙ্গে লড়াই করছি, তাই লড়াইটা অনেক কঠিন।”
“ছায়ার সঙ্গে লড়াই”, নির্বাচনের আগে কর্মীদের সতর্ক করলেন তৃণমূলের প্রবীণ বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় pic.twitter.com/QFMfGgcgHp
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) October 10, 2025
সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শর্মিলা সরকার, পুরপ্রধান পরেশ সরকার, বিধায়ক খোকন দাস, জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার, মহিলা নেত্রী নীলা মুন্সি সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সেখানে বলেন, ‘সামনে বিধানসভার ভোট। আমরা ২০১৯ সালের বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভায় হেরেছিলাম। ২০২৪ সালে আবার জিতেছি। আগে সিপিএমের সঙ্গে লড়াই ছিল, তখন শত্রুকে চোখে দেখা যেত। এখন ছায়ার সঙ্গে লড়তে হয়, তাই লড়াইটা অনেক কঠিন।’
উল্লেখ্য, জেলার রাজনৈতিক উত্তাপের বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ২ নম্বর বর্ধমান ব্লকের তৃণমূল সভাপতি পরমেশ্বর কোনার গত ৩ অক্টোবর পাঁচজন কর্মীকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কার করেছিলেন। অভিযোগ উঠেছিল, তারা দলের বিরুদ্ধে পোস্ট করছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বহিষ্কারের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জেলা ও রাজ্যের অনুমতি নিতে হয়। কোনও ব্লক সভাপতি একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তাই রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে ওই ব্লক সভাপতিকে শোকজ করা হয়েছে।
পরমেশ্বর কোনার শোকজের প্রসঙ্গে বলেছেন, “আমি শোকজের জবাব দিয়েছি, দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমি তা মেনে নেব।”
এদিকে, বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, “কিছু ক্লাব মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দেওয়া ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকার পুজো অনুদান নিয়েছে, কিন্তু তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানায়নি। আগামী বছর তাদের অনুদান থেকে বাদ দিতে হবে।”
জেলা জুড়ে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞে জেলার কর্মীরা তৎপর হয়ে উঠেছেন।






