দেশ

উড়ানের পরই বিপত্তি! মাঝআকাশে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ

যান্ত্রিক গোলযোগ নজরে আসতেই যাত্রীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়

Truth of Bengal: মাঝআকাশে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল যাত্রীদের মধ্যে। কন্নুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বিমানটি। তবে উড়ানের কিছুক্ষণ পরই ইঞ্জিনে সতর্কীকরণ আলো জ্বলতে দেখেন বিমানকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয় পাইলটকে। ঝুঁকি না নিয়ে বিমান ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে কন্নুর থেকে জেদ্দার উদ্দেশে রওনা দেয় এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বিমান। বিমানে ছিলেন প্রায় ১৮০ জন যাত্রী। উড়ানের প্রায় দু’ঘণ্টা পর একটি ইঞ্জিনে সতর্কীকরণ আলো জ্বলতে দেখা যায়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে কন্নুর বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাইলট। এরপর আপৎকালীন অবতরণের প্রস্তুতি শুরু হয় বিমানবন্দরে।

কন্নুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিষেবাগুলিকে সতর্ক রাখা হয়। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত ব্যবস্থা প্রস্তুত করার পর বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। এরপর একে একে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামানো হয়। বড়সড় বিপদ এড়ানো গেলেও ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, ইঞ্জিনে সতর্কীকরণ আলো জ্বলে ওঠায় নিয়ম মেনেই বিমানটিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যাত্রীদের জন্য বিকল্প উড়ানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ততক্ষণ তাঁদের হোটেলে থাকার এবং খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বিমান সংস্থার তরফে।

বিমান সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই অসুবিধার জন্য তারা দুঃখিত। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেছেন, সংস্থার প্রতিটি কার্যক্রমে যাত্রী নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিমান পরিষেবা ঘিরে একাধিক যান্ত্রিক সমস্যার খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই এয়ার ইন্ডিয়ার কন্নুর-জেদ্দা বিমানে মাঝআকাশে ত্রুটি ধরা পড়ায় ফের যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে পাইলটের দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় এ যাত্রায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

Related Articles