সন্দেশখালিতে উন্নয়নের জোয়ার, হবে নতুন মহকুমা: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
Tide of development in Sandeshkhali, new subdivision to be created: Chief Minister's announcement

Truth Of Bengal: সন্দেশখালির মানুষকে শুভ নববর্ষের অভিনন্দন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা করলেন। ১২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৬টি প্রকল্পের শুভ সূচনা করা হয়েছে, যা প্রায় ২০,০০০ মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেবে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রাস্তা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জল শোধনাগার, কমিউনিটি সেন্টার এবং সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
নতুন সেতু ও জেলা ঘোষণার পরিকল্পনা
দীর্ঘদিনের দাবি মেনে সন্দেশখালির ধুলিয়া খালের উপর একটি নতুন সংযোগকারী সেতু তৈরি হবে। পাশাপাশি, সন্দেশখালিকে নতুন জেলা ও মহকুমা হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
জলস্বপ্ন প্রকল্পের অগ্রগতি
জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার এক লক্ষেরও বেশি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে গেছে।
আবাস যোজনা ও জিএসটি ইস্যু
রাজ্যের আবাস যোজনায় ইতিমধ্যেই ৪৭ লক্ষ বাড়ি তৈরি হয়েছে। প্রথম কিস্তির টাকা ১২ লক্ষ পরিবারের কাছে পৌঁছে গেছে। বাকি ১৬ লক্ষ পরিবারকেও শীঘ্রই সুবিধা দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার জিএসটি-র টাকা আটকে রাখলেও রাজ্য তার দায়িত্ব পালন করেছে।
রুরাল হাসপাতালের উন্নতি ও বিশেষ ব্যবস্থা
সন্দেশখালির ৩০ বেডের রুরাল হাসপাতাল ৬০ বেডে উন্নীত হবে। সদ্য মায়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা
৬ লক্ষ ৫৩ হাজার মানুষকে বার্ধক্য ভাতা ও বিধবা ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তরুণ প্রজন্মের জন্য উদ্যোগ
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে, ১১ শ্রেণিতে উঠলেই তাদের ট্যাব দেওয়া হবে।
দুয়ারে সরকার কর্মসূচি
আগামী ২৬ জানুয়ারির পর ফের দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু হবে। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই কর্মসূচি চলবে।
বিনোদিনী থিয়েটারের ঘোষণা
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্টার থিয়েটারের নাম পরিবর্তন করে ‘বিনোদিনী থিয়েটার’ রাখা হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মা-বোনেরা না থাকলে সংসার চলে না। স্বাস্থ্য সাথী কার্ডেও মা-বোনেদের প্রধান করেছি। সংসার চালানোর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাদের হাতেই থাকা উচিত। সন্দেশখালিতে আরও উন্নয়ন হবে। যতদিন বাঁচব, লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা আপনারা পাবেন।”
সন্দেশখালিতে এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলির ফলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।






