দক্ষিণ দিনাজপুরে শুরু হল পরিযায়ী পাখির গণনা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের জলাশয় পরিযায়ী পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।
Bangla Jago Desk: বিশ্বদীপ নন্দী,বালুরঘাট: শীতের মরশুম পড়তেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় পরিযায়ী পাখির আনাগোনা নতুন করে চোখে পড়ছে। সেই সূত্র ধরেই শনিবার থেকে শুরু হল জেলার বার্ষিক পরিযায়ী পাখি গণনা কর্মসূচি। জেলার তপন দিঘী এলাকা থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই পাখি গণনার সূচনা হয়। সকাল থেকেই দিঘীর চারপাশে ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। দূরবীন হাতে পরিবেশপ্রেমী ও বনদফতরের কর্মীরা পাখির উপস্থিতি, সংখ্যা ও প্রজাতি নথিভুক্ত করতে শুরু করেন।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আঙ্গিনা বার্ডস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন সমিতির সম্পাদক বিশ্বজিৎ বসাক, দক্ষিণ দিনাজপুর বনবিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জার তাপস কুন্ডু, জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্তামণি বিহা সহ বনদপ্তরের আধিকারিক ও বিভিন্ন পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের সদস্যরা।তাঁদের উপস্থিতিতে পাখি সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়।
জানা গেছে, শীত শুরু হওয়ার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন জলাশয় ও বনাঞ্চলে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা বাড়তে থাকে।সেই কারণেই প্রতি বছরের মতো এ বছরও নিয়মিত পাখি গণনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তপন দিঘীতে ইতিমধ্যেই লেসার হুইসলিং ডাক, পার্পল হেরন সহ একাধিক প্রজাতির পরিযায়ী ও দেশীয় পাখির দেখা মিলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের জলাশয় পরিযায়ী পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। তবে এবছরের পাখি গণনায় একটি বিষয় বিশেষভাবে নজরে এসেছে। আঙ্গিনা বার্ডস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট প্রটেকশন সমিতির সম্পাদক বিশ্বজিৎ বসাক জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় চলতি বছরে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কিছুটা কম। কেন এই সংখ্যা কমছে, তার কারণ খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানান। জলাশয়ের অবস্থা, খাদ্যের প্রাপ্যতা, পরিবেশগত পরিবর্তন কিংবা মানুষের হস্তক্ষেপ—সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।






