অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট চায় কমিশন, শান্তিপূর্ণ ভোটে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি
The commission wants free and peaceful polls

The Truth Of Bengal : বাংলা পরিচিত ১২ মাসে ১৩ পার্বণের জন্য। ‘আসন্ন ভোটে ১৪ নম্বর পার্বণ হতে চলেছে। মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিক। ২ দিনের দীর্ঘ আলোচনার পর মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন এই ভাবে শুরু করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। হিংসামুক্ত, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট চায় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রতিটি জায়গায় পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচনের সময়ে অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। সীমান্তবর্তী এলাকায় কড়া নজরদারির পাশাপাশি চেকপোস্টে থাকবে বাড়তি সতর্কতা। এছাড়াও আরও একাধিক ব্যবস্থার কথা জানান নির্বাচন কমিশনার।
- রাজ্যে এবার ৮০ হাজার ৪৫৩টি বুথে ভোটগ্রহণ
- রাজ্যে এবার নতুন ভোটারের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২৫ হাজার
- অর্ধেকের বেশি বুথে ‘ওয়েব কাস্টিং’ করা হবে
- ‘সি-ভিজিল’ অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যাবে
- কিছু বুথ সম্পূর্ণ মহিলা ভোটকর্মী দ্বারা পরিচালিত হবে
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকের আগে ২২টি কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনে কালো টাকা এবং অবৈধ টাকার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে নজরদারি চালাবে ইডি কিংবা আয়কর দফতরের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাও।
- সব কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে নিয়ে একটি পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে
- আর্থিক দুর্নীতি আটকাতে এই পোর্টালের সাহায্য নেওয়া হবে
- ভোট পূর্ববর্তী এবং ভোট পরবর্তী হিংসা রোখার চেষ্টা করা হবে
- আধার নিষ্ক্রিয় হলে বিকল্প পরিচয়পত্রে দেওয়া যাবে ভোট
ভুয়ো খবর ছড়ানো রুখতেও জেলায় জেলায় কন্ট্রোল রুমের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রতিটি জায়গায় পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবস্থা করা। এদিন কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট এবার করতেই হবে। না হলে তার দায় বর্তাবে জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের ওপর। কেউ ছাড় পাবেন না।
FREE ACCESS






