Teen Suicide: নদিয়ায় বন্ধুর সঙ্গে কথা বলায় হেনস্তা, অপমানে আত্মঘাতী কিশোরী
Truth Of Bengal: বন্ধুর সঙ্গে গল্প করার অপরাধে হেনস্তা! পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয়রা। সেই অপমানে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী। ঘটনাটি নদিয়ায় শান্তিপুর থানার অন্তর্গত গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার(Teen Suicide)। মৃত কিশোরীর নাম শ্রেয়া বিশ্বাস। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো পরশুদিন সে স্কুলে গিয়েছিল। তবে স্কুল ছুটির পর বাড়ি না ফিরে শ্রেয়া এক বন্ধুর সঙ্গে গয়েশপুর হাসপাতাল লাগোয়া এক মাঠে বসে গল্প করছিল। সেই সময় এলাকার কিছু বাসিন্দা তাঁদের ধরে ফেলে এবং দু’জনকেই স্থানীয় থানার হাতে তুলে দেয়। খবর পেয়ে কিশোরীর পরিবার তাকে বাড়ি নিয়ে আসে।
[আরও পড়ুন: Shubman Gill: ব্যাটেই সমালোচকদের কড়া জবাব! ভনের ভবিষ্যদ্বাণীর কেন্দ্রে এবার গিল]
এরপরের দিন মা মেয়েকে স্কুলে যেতে বারণ করেন। সকালবেলা রান্নায় ব্যস্ত ছিলেন মা, সেই সময় ঘরে ঢুকে শ্রেয়া গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মঘাতী হয়(Teen Suicide)। দীর্ঘক্ষণ ঘর না খুললে সন্দেহ হয় পরিবারের। দরজা ভেঙে দেখা যায়, শ্রেয়া ঝুলছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে।
FB link: https://www.facebook.com/truthofbengal
মেয়ের মৃত্যুর কারণ হিসেবে বাবা স্পষ্টভাবেই সমাজের অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপকেই দায়ী করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘বন্ধুর সঙ্গে গল্প করার মতো একটি স্বাভাবিক ঘটনায় মেয়েকে হেনস্তা হতে হয়েছে(Teen Suicide)। অপমান সহ্য করতে না পেরে হয়তো আত্মহত্যা করেছে।’’ শ্রেয়ার অকালমৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার, বাকরুদ্ধ গোটা এলাকা। উঠছে প্রশ্ন—কিশোরী মানসিকতা, স্বাধীনতা ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির ভবিষ্যৎ কোথায়?





